📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি, সাইবার যুদ্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও স্বাবলম্বী প্রতিরক্ষা শিল্পের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন
সাভার সেনানিবাসে নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনে সাতটি রেজিমেন্ট ও ব্যাটালিয়নের জন্য জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিবেশে স্থল, সমুদ্র ও আকাশের পাশাপাশি সাইবার স্পেস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ড্রোন এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পদ্ধতির মতো বিষয়গুলো জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য
- 📌 তিনি ৭ ও ৩২ নম্বর ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ নম্বর এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ নম্বর ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ইস্ট বেঙ্গল এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টকে (পিজিআর) জাতীয় পতাকা প্রদান করেছেন
- 📌 সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও পেশাদারির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীর প্রকৃত শক্তি নিহিত শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থায়’
- 📌 তিনি ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের ঐতিহাসিক প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ১, ২, ৩, ৪ এবং অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাংলাভাষী সেনাসদস্যদের সেই প্রতিরোধ সশস্ত্র বাহিনীর অনুপ্রেরণাদায়ক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়
- 📌 সরকার সেনাবাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়নের পাশাপাশি দেশেই অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার প্রতি জোর দিচ্ছে
- 📌 সেনা সদস্যদের বেতন ও ভাতা ১০০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৩৮ শতাংশ করা হয়েছে এবং ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর প্রক্রিয়া সক্রিয় বিবেচনাধীন
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রোববার সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত নবম পদাতিক ডিভিশনের অধীনে সাতটি রেজিমেন্ট ও ব্যাটালিয়নের জন্য জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, আধুনিক যুদ্ধের কৌশল ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের সামরিক প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া দরকার। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির এই ব্যবহারের পাশাপাশি তিন বাহিনীর সমন্বিত সক্ষমতা গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য’।
সেনাবাহিনীর ইতিহাসের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অঙ্গাঙ্গি সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক প্রতিরোধ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়’। তিনি বলেন, ‘১, ২, ৩, ৪ এবং অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাংলাভাষী সেনাসদস্যদের সেই প্রতিরোধ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক’।
সামরিক খাতকে স্বাবলম্বী করার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার সেনাবাহিনীর সার্বিক আধুনিকায়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র দেশেই উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠার প্রতি জোর দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তি কখনোই মানবসম্পদের বিকল্প হতে পারে না’।
সেনাসদস্যদের সুযোগ-সুবিধা ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় ইতিমধ্যেই সেনা সদস্যদের বেতন ও ভাতা ১০০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৩৮ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া সেনাসদস্যদের জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত করতে ‘ওয়ান র্যাংক ওয়ান পেনশন’ চালুর প্রক্রিয়া সক্রিয় বিবেচনাধীন।
"একটি আধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর শক্তি শুধু অস্ত্র, সরঞ্জাম বা জনবলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে শৃঙ্খলা, দক্ষতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের আস্থার মধ্যে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার সেনানিবাস, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭, ৩২, ২৫, ৯, ৫৬, ৫৭, ১০০, ১৩৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!