📌 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে। প্রথমবার হারানো পাসপোর্টের জন্য নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি নেই, কিন্তু দ্বিতীয়বার থেকে প্রত্যেকবার ১০ হাজার টাকা দণ্ডফি আরোপ করা হবে। পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে থানায় জিডি করতে হবে এবং অনলাইনে রিপোর্ট দিতে হবে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন নিয়মে পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে দণ্ডফি আরোপের শর্তাবলী ঘোষণা করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমবার পাসপোর্ট হারালে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি দিতে হবে না। কিন্তু দ্বিতীয়বার বা তারপর যতবার পাসপোর্ট হারাবে, প্রত্যেকবার নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করতে ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত দণ্ডফি দিতে হবে। পাসপোর্ট একটি সংবেদনশীল ভ্রমণ দলিল হওয়ায় এর অপব্যবহার থেকে মানবপাচার, অবৈধ প্রবেশ এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের ঝুঁকি কমাতে এই নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **দণ্ডফি আরোপ**: প্রথমবার পাসপোর্ট হারালে নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত কোনো ফি নেই, কিন্তু দ্বিতীয়বার থেকে প্রত্যেকবার ১০ হাজার টাকা দণ্ডফি দিতে হবে।
- 📌 **৭২ ঘণ্টার মধ্যে জিডি**: পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার পর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে।
- 📌 **অনলাইন রিপোর্টিং**: পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার পর দ্রুত বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে রিপোর্ট করতে হবে।
- 📌 **বৈধতা নিশ্চিতকরণ**: হারানো পাসপোর্টের তথ্য পাওয়ার পর পুলিশের বিশেষ শাখা ইন্টারপোলকে অবহিত করবে।
- 📌 **বিদেশে হারানো পাসপোর্ট**: বিদেশে অবস্থানকালে পাসপোর্ট হারালে বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটকে অবহিত করতে হবে।
- 📌 **পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন নিষিদ্ধ**: হারানো পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করার সময় আবেদনকারীর মৌলিক পরিচয়গত তথ্য পরিবর্তন করা যাবে না।
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত সোমবার নতুন পরিপত্র জারি করেছে পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার ক্ষেত্রে পুনরায় ইস্যুর নিয়মাবলী সম্পর্কে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার পর দ্রুত তা বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে রিপোর্ট করতে হবে। পাশাপাশি নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। সংশ্লিষ্ট থানা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জিডির সঠিকতা যাচাই করে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে প্রতিবেদন পাঠাবে। যদি ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া না যায়, তাহলে জিডির কপি সংযুক্ত করে পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর আবেদন করা যাবে।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ট্রাভেল এজেন্সির কাছে পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে এবং সেটি অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে, তাহলে আগের পাসপোর্ট প্রত্যাহার করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে। হারানো বা চুরি হওয়া পাসপোর্টের তথ্য পাওয়ার পর পুলিশের বিশেষ শাখা তাদের ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করবে। প্রয়োজনে ইন্টারপোলকে অবহিত করাসহ বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিদেশে অবস্থানকালে পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত অনলাইন ব্যবস্থায় রিপোর্ট করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটকে অবহিত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মিশন লস্ট সার্কুলার জারি করে পাসপোর্ট পুনরায় ইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
"পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হওয়ার পর দ্রুত রিপোর্ট এবং জিডি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে মানবপাচার এবং অবৈধ কার্যকলাপের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদপ্তর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (দণ্ডফি), ৭২ ঘণ্টা (জিডি যাচাই সময়), ১৭ জন (বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!