📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংসদ কমিটি চেয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিড সরবরাহের বিস্তারিত তথ্য, জ্বালানি সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনার স্বীকারোক্তি

সংসদ কমিটি চেয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিড সরবরাহের বিস্তারিত তথ্য, জ্বালানি সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনার স্বীকারোক্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী সাংসদীয় কমিটি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ও গ্রিডে সরবরাহের তথ্য চেয়েছে। বৈঠকে জ্বালানি সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনাহীনতার স্বীকারোক্তি হয়েছে

সাংসদীয় কমিটি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই তথ্য চাওয়া হয়। কমিটির সদস্যরা জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনাহীনতার বিষয়টিও স্বীকারোক্তি পেয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপিতে বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি প্রকল্পে প্রকল্প সাহায্য ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা, সরকারি অর্থায়ন ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
  • 📌 গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন মাত্র ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট।
  • 📌 ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের পরিমাণ আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য কমিটি সুপারিশ করেছে।
  • 📌 ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উদ্বৃত্ত সৌরবিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা সুবিধা থাকবে।
  • 📌 ক্যাপাসিটি চার্জের বিপুল ব্যয় এবং জ্বালানি দাম নির্ধারণে বিইআরসি প্রবিধান অনুমোদনের অভাবে প্রশ্ন উঠেছে।
  • 📌 দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা থাকলেও সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি নেই।

📰 বিস্তারিত

সাংসদীয় কমিটির প্রথম বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর সভাপতিত্বে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বিদ্যুৎ বিভাগের ৪১টি প্রকল্প চলছে। এসব প্রকল্পে প্রকল্প সাহায্য ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা, সরকারি অর্থায়ন ৪ হাজার ৭১ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং নিজস্ব অর্থায়ন ৩ হাজার ৩৮১ কোটি ৮০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

বৈঠকে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রকৃত উৎপাদনের তথ্য তুলে ধরা হয়। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন মাত্র ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৯২৭ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। আর তরল জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৬ হাজার ৪০৯ মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন মাত্র ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াট।

কমিটি ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনকারী গ্রাহকদের জন্য ২০৩০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা উদ্বৃত্ত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের জন্য ১০ টাকা ৫০ পয়সা সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করেছে। বৈঠকে সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, রফিকুল ইসলাম হিলালী, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, নায়াব ইউসুফ আহমেদ, মমতাজ আলো, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মো. আবুল হাসনাত অংশগ্রহণ করেন।

"জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও পরিকল্পনাহীনতার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের বিপুল ব্যয়ের কথাও উঠে এসেছে।"

বৈঠকে সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, আগের তদন্ত কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়নি। তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর একজন বিচারপতির নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটির সুপারিশ কী ছিল এবং তা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা পরবর্তী বৈঠকে জানাতে বলা হয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নাজিবুর রহমান বলেন, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেনি। কর্মকর্তারা প্রতিদিন দুই মেগাওয়াট করে সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার কথা জানালেও এর পক্ষে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জ্বালানি দাম নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) প্রবিধান প্রণয়ন না হওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন নাজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ২০০৩ সালের আইনের ৩৪ ধারায় গণশুনানির মাধ্যমে জ্বালানির দাম নির্ধারণের বিধান রয়েছে, কিন্তু ২৩ বছরেও তা কার্যকর হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর (সভাপতি), ইকবাল হাসান মাহমুদ (মন্ত্রী), নাজিবুর রহমান (সদস্য)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১টি প্রকল্প, ১০ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকা, ১২ হাজার ২২ মেগাওয়াট (গ্যাসভিত্তিক সক্ষমতা), ৪ হাজার-৫ হাজার মেগাওয়াট (গ্যাসভিত্তিক প্রকৃত উৎপাদন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖