📌 জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি জ্বালানি পণ্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ জানতে বিপিসিকে জবাবদিহি করতে চায়। বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও দাম সমন্বয় প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণ করা হয়
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকট ও জ্বালানি পণ্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ জানতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও এর অধীনস্থ কোম্পানিগুলিকে জবাবদিহি করতে চায়। মঙ্গলবার ঢাকার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই কমিটির প্রথম বৈঠকে জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জ্বালানি সংকটের মূল কারণ জানতে চেয়েছে সংসদ কমিটি — নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের পেছনের কারণ ও বিপিসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
- 📌 বিপিসির পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা — সরবরাহ ব্যবস্থা সংকটকালে ও পরে কেবল দাম বাড়িয়ে সংকট মোকাবিলা করার পদ্ধতি নিয়ে জবাব চাওয়া হয়।
- 📌 বিশ্ববাজার ও দেশীয় বাস্তবতা বিশ্লেষণ করা হয় — জ্বালানি দামের বারবার বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ অনুসন্ধান করা হয়।
- 📌 বিপিসির অধীনস্থ কোম্পানিগুলি (পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অয়েল পিএলসি) নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় — তাদের ব্যবস্থাপনাগত ভূমিকা নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।
- 📌 আগামী বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় — দেশের বর্তমান জ্বালানি চাহিদা, সংরক্ষণ ক্ষমতা ও সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ।
- 📌 জ্বালানি মূল্য সহনীয় রাখার রূপরেখা প্রণয়নের সুপারিশ — সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে জ্বালানি মূল্য ধরে রাখার জন্য আধুনিক ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য সুপারিশ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির প্রথম বৈঠকে জ্বালানি খাতের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে জ্বালানি পণ্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ ও দফায় দফায় দাম সমন্বয়ের পেছনের সত্য জানতে চাওয়া হয়।
বৈঠকে বিপিসির পারফরম্যান্স ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কমিটির সদস্যরা। বিশেষ করে, নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে যে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়, তার মূল কারণ জানতে চাওয়া হয়। সরবরাহ ব্যবস্থা সংকটকালে ও সংকট-পরবর্তী সময়ে কেবল জ্বালানি পণ্যের দাম বাড়িয়ে সংকট মোকাবিলা করার পদ্ধতি নিয়ে বিপিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা তলব করা হয়।
বিশ্ববাজার ও দেশীয় বাস্তবতায় জ্বালানি দামের বারবার বৃদ্ধি ও সমন্বয়ের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি, কীভাবে এই দর সাধারণ মানুষের জন্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় বিপিসির অধীনস্থ তিন রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা অয়েল পিএলসির ব্যবস্থাপনাগত ভূমিকা নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করা হয়।
দেশের বর্তমান সার্বিক জ্বালানি চাহিদা, সংরক্ষণ ক্ষমতা এবং আগামী দিনের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে জ্বালানির মূল্য ধরে রাখতে একটি আধুনিক, যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত রূপরেখা প্রণয়ন করে তা সাংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হয়।
"বিপিসির পারফরম্যান্স ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার পদ্ধতি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা তলব করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সংসদ ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনির (সভাপতি), হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (বিপিসির অধীনস্থ কোম্পানি: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!