📌 জাতীয় সংসদ কমিটি জ্বালানি তেলের সংকটের কারণ ও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে সমাধান হয় তা জানতে বিপিসিকে জিজ্ঞাসা করেছে। কমিটি বিপিসিকে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভর্তুকি, শুল্ক-কর কমানো ও তহবিল গঠনের সুপারিশ করেছে
জাতীয় সংসদ কমিটি জ্বালানি তেলের সংকটের কারণ ও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে তা দূর হয় তা জানতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে। কমিটি বিপিসিকে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশও করেছে। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই বিষয়গুলো আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জ্বালানি সংকটের কারণ জানতে চেয়েছে কমিটি: বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপর জ্বালানি সংকটের কারণ ও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে তা দূর হয় তা জানতে চেয়েছে সংসদ কমিটি।
- 📌 দাম বাড়ানোর পর সংকট কেটে গেল: গত এপ্রিলে পেট্রলপাম্পে দীর্ঘ সারি থাকলেও দাম বাড়ানোর পর সংকট দূর হয়। কমিটি বিপিসিকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে বলেছে।
- 📌 সুপারিশ করা হয়েছে ৪টি পদক্ষেপ: কমিটি বিপিসিকে সহনীয় মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভর্তুকি দেওয়া, শুল্ক-কর কমানো, ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ গঠন ও ৯০ দিনের মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে।
- 📌 বৈঠকে অংশ নেন ১০ জন সংসদ সদস্য: কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ নাজিবুর রহমানসহ ১০ জন সদস্য।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদ কমিটি জ্বালানি তেলের সংকটের কারণ ও দাম বাড়ানোর পর কীভাবে তা দূর হয় তা জানতে বিপিসিকে জিজ্ঞাসা করেছে। বৈঠকে বলা হয়, গত এপ্রিলে পেট্রলপাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি দেখা গিয়েছিল। পরে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর ওই কৃত্রিম সংকট দূর হয়। কমিটি বিপিসিকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে বলেছে। সূত্র জানায়, বিপিসি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধপরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট সংকটের বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে এবং সমস্যা সমাধানের সম্ভাব্য উপায়ও তুলে ধরেছে।
বিপিসি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে সহনীয় মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভর্তুকি দেওয়া প্রয়োজন। এছাড়াও, সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল আমদানিতে ইনভয়েস ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর কমানো বা আগের মতো ট্যারিফ ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। কমিটি ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ বা জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীলকরণ তহবিল গঠনেরও সুপারিশ করেছে।
বৈঠকে আরও বলা হয়, ৯০ দিনের মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করা জ্বালানি সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য ও হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।
"আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে সহনীয় মূল্যে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভর্তুকি দেওয়া প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনির, মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদ অপু, আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!