📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পদ্মা সেতুর সুফল বঞ্চিত করছে শরীয়তপুরের দুটি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান

পদ্মা সেতুর সুফল বঞ্চিত করছে শরীয়তপুরের দুটি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকা-শরীয়তপুর রুটে যানজট কমলেও কীর্তিনাশা নদীর দুটি পুরোনো সেতু যাত্রীদের বড় ধরনের দুর্ভোগে জড়িয়ে রেখেছে। ২০২০ সালে অনুমোদিত প্রকল্পের কাজ বন্ধ থাকায় সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকা-শরীয়তপুর রুটে যানজটের সমস্যা কিছুটা কমলেও, কীর্তিনাশা নদীর দুটি পুরোনো সেতু এখনও যাত্রীদের জন্য মারাত্মক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীয়তপুরের প্রেমতলা ও কাজীরহাট এলাকায় নির্মিত ১৯৯১ সালের দুটি জরাজীর্ণ সেতু প্রতিদিন অন্তত ২০ হাজার যাত্রীকে যানজটের শিকার করে তোলে। এই দুটি সেতুর চওড়া মাত্র ৩ মিটার, ফলে এক পাশের যানবাহন চলাচল করলে অপর পাশের গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। ফলে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, যা যাত্রীদের বাড়তি আধা ঘণ্টা সময় নষ্ট করে দিচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদীর দুটি পুরোনো সেতু (১৯৯১ নির্মিত) আজ চরম জরাজীর্ণ — সেতুর ফাটল, মেঝের রড বেরিয়ে গেছে
  • 📌 প্রতিদিন ২০ হাজার যাত্রীকে যানজটে আটকে রাখছে এই দুটি সেতু
  • 📌 ২০২০ সালে অনুমোদিত প্রকল্পে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল, কিন্তু পাঁচ বছর পার হওয়ার পরও কাজ বন্ধ
  • 📌 প্রেমতলা সেতুর ৮০ শতাংশ ও কাজীরহাট সেতুর ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হলেও, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব ও মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে ৭ কোটি টাকা অতিরিক্ত দাবি করা হচ্ছে
  • 📌 ৫৮ কোটি টাকার প্রকল্পে ইতিমধ্যে ৪৫ কোটি টাকা বিল তুলে নেওয়া হয়েছে
  • 📌 সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে — আমলাতান্ত্রিক বাধা দূর করে প্রকল্পের দ্রুত সম্পন্নকরণের জন্য

📰 বিস্তারিত

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকা-শরীয়তপুর রুটে যানজটের সমস্যা কিছুটা কমলেও, কীর্তিনাশা নদীর দুটি পুরোনো সেতু এখনও যাত্রীদের জন্য মারাত্মক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীয়তপুরের প্রেমতলা ও কাজীরহাট এলাকায় নির্মিত ১৯৯১ সালের দুটি সেতু আজ চরম জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সেতুর বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে, মেঝের রড বেরিয়ে গেছে। এই দুটি সেতুর চওড়া মাত্র ৩ মিটার, ফলে এক পাশের যানবাহন চলাচল করলে অপর পাশের গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে। ফলে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, যা যাত্রীদের বাড়তি আধা ঘণ্টা সময় নষ্ট করে দিচ্ছে।

২০২০ সালে অনুমোদিত প্রকল্পে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল। অথচ পাঁচ বছর পার হওয়ার পরও কাজ বন্ধ রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় নির্মাণকাজের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিবাহিত হওয়ার পরও নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। প্রেমতলা সেতুর প্রায় ৮০ শতাংশ এবং কাজীরহাট সেতুর ৬০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৭ কোটি টাকা দাবি করা হচ্ছে।

৫৮ কোটি টাকার এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে ৪৫ কোটি টাকা বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। তিনবার সময় বাড়ানোর পরও এখন ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব ও নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৭ কোটি টাকা দাবি করা হচ্ছে এবং চতুর্থবারের মতো সময় বৃদ্ধির আবেদন জানানো হয়েছে। বর্তমানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে।

"আমাদের দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে শুরুতে ধীরগতি, জমি অধিগ্রহণে সমন্বয়হীনতা এবং পরবর্তী সময়ে বাজেট ও সময় বাড়ানোর এই সংস্কৃতি নতুন নয়। কিন্তু যেখানে মূল কাজের সিংহভাগ শেষ, সেখানে আমলাতান্ত্রিক অনুমোদন বা অর্থ বরাদ্দের জটিলতায় দুই বছর কাজ বন্ধ রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুরের প্রেমতলা ও কাজীরহাট, কীর্তিনাশা নদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার যাত্রী, ৩ মিটার, ৮০ শতাংশ, ৬০ শতাংশ, ৫৮ কোটি টাকা, ৪৫ কোটি টাকা, ৭ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖