📌 আউটসোর্সিং নীতিমালা সংশোধনের কারণে বাংলাদেশের সরকারি দপ্তরে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির প্রায় এক লাখ অস্থায়ী পদে নিয়োগ বন্ধ পড়েছে। অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় আইনে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিধান না থাকায় মন্ত্রণালয়গুলো নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছে। স্বাস্থ্য, গণপূর্ত, রেলপথসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নিয়োগ প্রস্তাব ঝুলে রয়েছে
বাংলাদেশের সরকারি দপ্তরে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির প্রায় এক লাখ অস্থায়ী পদে নিয়োগের প্রস্তাব আউটসোর্সিং নীতিমালা সংশোধনের কারণে বন্ধ পড়েছে। অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সংশোধিত নীতিমালা বাস্তবায়নে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সরকারি সেবা থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ লাখেরও বেশি পদে নিয়োগ বন্ধ: সরকারি দপ্তরে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডের প্রায় এক লাখ অস্থায়ী পদে নিয়োগের প্রস্তাব ঝুলে রয়েছে।
- 📌 আউটসোর্সিং নীতিমালা সংশোধন: গত ২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় সংশোধিত নীতিমালা জারি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে।
- 📌 সরাসরি নিয়োগের আইনি জটিলতা: সরকারি ক্রয় আইনে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিধান না থাকায় মন্ত্রণালয়গুলো নিয়োগ দিতে পারছে না।
- 📌 সেবা থেকে বঞ্চিত সাধারণ মানুষ: হাসপাতালের সুইপার, ল্যাব সহকারী, ট্রলিম্যানসহ বিভিন্ন সেবাকর্মীর নিয়োগ বন্ধ পড়েছে।
- 📌 অর্থ বিভাগের দাবি: সরকারি ক্রয় আইনে সংশোধন আনতে বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষ (বিপিপিএ)কে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত ২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা, ২০২৫’ সংশোধন করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিয়োগ বন্ধ করে দিয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি দপ্তর সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নিতে পারবে। তবে সরকারি ক্রয় আইনে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিধান নেই। ফলে মন্ত্রণালয়গুলো ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে সরাসরি নিয়োগ দিতে পারছে না।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব আসিব আহসান প্রথম আলোকে বলেছেন, চলমান দরপত্রের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে তাদের বিভাগের কয়েক হাজার সেবাকর্মী নিয়োগের কথা রয়েছে, কিন্তু নীতিমালা স্পষ্ট না থাকায় সেসব নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।
সরকারি বাসভবন ও দপ্তরের পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য সেবামূলক কাজে নিয়োগের প্রস্তাব ঝুলে রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রায় ২০ হাজার সেবাকর্মী এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের অধীন প্রায় পাঁচ হাজার কর্মীর নিয়োগের প্রস্তাব রয়েছে। তবে নতুন নীতিমালার কারণে এসব নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে না। রেলপথ, সমাজকল্যাণ, কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
অর্থ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় আইনে সরাসরি ব্যক্তির কাছ থেকে সেবা নেওয়ার বিধান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষ (বিপিপিএ)কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নে আইনি সংশোধন ছাড়া মন্ত্রণালয়গুলো নিয়োগ কার্যক্রম চালু করতে পারবে না।
"চলমান দরপত্রের বিষয়ে কী করণীয়, তা অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে তাদের বিভাগের কয়েক হাজার সেবাকর্মী নিয়োগের কথা রয়েছে। তবে নীতিমালা স্পষ্ট না থাকায় সেসব নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশের সরকারি দপ্তর, মন্ত্রণালয় ও বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: যুগ্ম সচিব আসিব আহসান, অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ+ পদ, ২০ হাজার সেবাকর্মী, ৫ হাজার কর্মী, ১৬-২০তম গ্রেড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!