📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রাধিকার ছাড়াই শতাধিকবার বিমান ভ্রমণ করে অর্থ চুরি: মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রাধিকার ছাড়াই শতাধিকবার বিমান ভ্রমণ করে অর্থ চুরি: মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বরখাস্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক দুলাল কৃষ্ণ সাহা প্রাধিকার ছাড়াই শতাধিকবার বিমানে ভ্রমণ করে সরকারি অর্থ চুরি এবং জাল সাক্ষ্য সনদ তৈরি করে অর্থ উত্তোলন করেছেন। বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকার তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক দুলাল কৃষ্ণ সাহা সরকারি অর্থ চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। তিনি প্রাধিকার ছাড়াই শতাধিকবার বিমানে ভ্রমণ করে সরকারি অর্থ উত্তোলন এবং জাল সাক্ষ্য সনদ তৈরি করে আদালতে অর্থ চুরি করেছেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ রোববার তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দুলাল কৃষ্ণ সাহা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক হিসেবে ২৩ বছর কর্মরত ছিলেন।
  • 📌 তিনি শতাধিকবার বিমানে ভ্রমণ করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন, যদিও তার কোনো ভ্রমণ প্রাধিকার ছিল না।
  • 📌 ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা চুরি করে তিনি সরকারের আর্থিক ক্ষতি করেছেন।
  • 📌 তিনি জাল সাক্ষ্য সনদ তৈরি করে আদালতে অর্থ উত্তোলন করেছেন এবং ৩টি স্বাক্ষরের জালিয়াতি করেছেন।
  • 📌 ২০২৬ সালের ১১ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয় এবং ২০২৬ সালের ১১ আগস্ট সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

দুলাল কৃষ্ণ সাহা ২০০০ সালের ২৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে রাসায়নিক পরীক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ২০২৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এই পদে কর্মরত ছিলেন। এই ২৩ বছরে তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিকবার বিমানে ভ্রমণ করেছেন, যদিও তার কোনো ভ্রমণ প্রাধিকার ছিল না। তিনি ভ্রমণ বিলে জাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করেছেন।

তিনি ঢাকায় অধিদপ্তরের প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে জাল সাক্ষ্য সনদ তৈরি করে আদালতে অর্থ উত্তোলন করেছেন। তদন্তে দেখা যায়, তিনি তিনটি স্বাক্ষরের জালিয়াতি করেছেন, যেখানে সবসময় তার নিজস্ব সিল ব্যবহার করেছেন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়, তিনি ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা চুরি করেছেন।

২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর অধিদপ্তর তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানায়। এরপর ১৯ নভেম্বর তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘দুর্নীতিপরায়ণতার’ অভিযোগে মামলা করা হয়। দুলাল কৃষ্ণ সাহা ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগের জবাব দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন। ১১ মার্চ তাঁর শুনানি নেওয়া হয় এবং পরদিন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল করে তাঁর বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। এরপর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) তাঁকে বরখাস্তের পক্ষে মত দেন। সার্বিক তদন্ত ও পর্যালোচনা শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাঁকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে।

"দুলাল কৃষ্ণ সাহা ২৩ বছরে সরকারি অর্থ চুরি ও জালিয়াতির মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দুলাল কৃষ্ণ সাহা (প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭৫৭ টাকা (চুরি করা অর্থ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖