📌 মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর বলেছেন, উন্নয়নকাজ ফেলে রাখায় জনগণের দুর্ভোগ হচ্ছে। তিনি ৭ দিনের মধ্যে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। শিবালয় উপজেলায় ৯৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর উন্নয়নকাজ ফেলে রাখা ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে বলেছেন, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে ৭ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিবালয় উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এই দাবি জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানিকগঞ্জ-১ এমপি এস এ জিন্নাহ কবীর বলেছেন, রাস্তা, সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ ফেলে রাখায় জনগণের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
- 📌 ৭ দিনের মধ্যে ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
- 📌 শিবালয় উপজেলায় এই বছর ৯৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 সভায় উপস্থিত ছিলেন শিবালয় ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার, বিএনপি নেতা সুজাউদ্দিন বুলবুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
📰 বিস্তারিত
রাস্তা, সেতু ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ শুরু করে তা ফেলে রাখায় জনগণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে — এস এ জিন্নাহ কবীর সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিবালয় উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতিমূলক সভায় এই কথা বলেন। তিনি বলেন, উন্নয়নকাজের নামে চলাচলের উপযোগী রাস্তা ভেঙে অপরিকল্পিতভাবে কাজ ফেলে রাখা হচ্ছে। কাজের কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নিতে হবে।
এমপি জিন্নাহ কবীর আরও বলেন, উন্নয়নকাজ কোনোভাবেই দীর্ঘদিন ফেলে রাখা যাবে না। কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি দাবি জানান, আগামী ৭ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ম অনুযায়ী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
সভায় শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিষা রানী কর্মকার সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন হাইওয়ে ও নৌ থানার ওসি, মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সত্যেন কান্ত পণ্ডিত ভজন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দিপু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. মিজানুর রহমান লিটন এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিনসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
সভায় জানানো হয়, এই বছর শিবালয় উপজেলায় ৯৪টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা এবং প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি নিখিল চন্দ্র মালো, সাধারণ সম্পাদক বিকাশ কুমার দাস, শিবালয় সর্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুনিল চন্দ্র নাথ, নয়াবাড়ী বড়বাড়ি সর্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার চৌধুরী, উথুলী সর্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি দীপেন্দ বাবু এবং মহাদেবপুর ইউনিয়ন পূজা কমিটির চঞ্চল মুখার্জিসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা।
"রাস্তা, সেতু কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ শুরু করে তা শেষ না করে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আগামী সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শিবালয় উপজেলা, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর, ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিন (ব্যবস্থা নেওয়ার সময়সীমা), ৯৪টি (পূজামণ্ডপ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!