📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানিকগঞ্জ ভূমি কর্মকর্তা ঘুষ গ্রহণে প্রমাণিত হলেও শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা চলছে, ১০ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে

মানিকগঞ্জ ভূমি কর্মকর্তা ঘুষ গ্রহণে প্রমাণিত হলেও শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা চলছে, ১০ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা দরগ্রাম ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পেয়েছে, কিন্তু শাস্তি এড়ানোর জন্য ১০ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা দরগ্রাম ইউনিয়নের ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পেয়েছে। তবে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলেও কর্মকর্তাকে শাস্তি থেকে রেহাই দিতে প্রায় ১০ লাখ টাকার লেনদেনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তদন্তে প্রমাণিত ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া গেছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি
  • 📌 ১০ লাখ টাকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে — শাস্তি এড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ
  • 📌 স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার আবেদন করেছেন আব্দুল মোতালেব, চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই
  • 📌 ৯ সেপ্টেম্বর ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের ভিডিও প্রকাশিত হয়, এরপর তদন্ত শুরু
  • 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটি শুনানিতে অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেয়
  • 📌 ভুক্তভোগী আনছের আলী বলেন, নামজারি করতে ২০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন

📰 বিস্তারিত

সাটুরিয়া উপজেলা দরগ্রাম ইউনিয়নের ভূমি অফিসের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পেয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হলেও কর্মকর্তাকে শাস্তি থেকে রেহাই দিতে প্রায় ১০ লাখ টাকার লেনদেনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মকর্তা অফিসে বসে টাকা গোনার সময়। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘টাকা ছাড়া মেলে না সেবা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। অভিযোগে বলা হয়, নামজারি, জমি সেবা ইত্যাদি করতে ২০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হত।

তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছিলেন সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম। গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত শুনানিতে অভিযোগকারী, সাংবাদিক ও অভিযুক্ত নায়েবের লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়। পরে ইউএনও জেলা প্রশাসনের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। অনিক ইসলাম বলেন, ‘তদন্তে আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।’

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও প্রায় এক মাস ধরে কোনো দৃশ্যমান বিভাগীয় ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে। ভূমি প্রশাসনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আব্দুল মোতালেব শাস্তি এড়াতে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করার চেষ্টা করছেন বলে তিনি শুনেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, লেনদেনের অঙ্ক প্রায় ১০ লাখ টাকা। তবে অর্থ লেনদেনের কোনো প্রমাণ তাঁর কাছে নেই।

চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই আব্দুল মোতালেব স্বেচ্ছায় অবসরের আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার চাকরির আর মাত্র কয়েক মাস সময় আছে। আমি চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেব। নিউজে আমার কিছুই হবে না।’

"তদন্তে আব্দুল মোতালেবের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।"

— কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সাটুরিয়া উপজেলা, দরগ্রাম ইউনিয়ন, মানিকগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মোতালেব, কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম, আনছের আলী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ লাখ টাকা (লেনদেনের অভিযোগ), ২০ হাজার টাকা (ঘুষের দাবি), ৯ সেপ্টেম্বর (ভিডিও প্রকাশ), ২৩ সেপ্টেম্বর (শুনানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖