📌 লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী সরকারি লিজের ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় প্রশাসন চিঠি দিয়েছে জেলা প্রশাসককে। অভিযুক্তরা হলেন জাহাঙ্গীর আলম ও নকিব হোসেন শান্ত
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারী সরকারি লিজের ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় প্রশাসন তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তাফা মুন্না স্বাক্ষরিত চিঠিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষায় ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 অভিযুক্ত কর্মচারীদের নাম: জাহাঙ্গীর আলম (রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত) ও নকিব হোসেন শান্ত (রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির)
- 📌 দুটি লিজ খাত থেকে আদায় করা অর্থ: ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা ও ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা
- 📌 নকিব হোসেন শান্ত দাবি করেছেন, টাকা জমা দেওয়া হলেও রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি
- 📌 অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান জানান, বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তাফা মুন্না স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষায় রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের দুটি সরকারি লিজ খাত থেকে যথাক্রমে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা ও ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা আদায় করা হলেও সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়নি। অভিযুক্ত কর্মচারীদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম বর্তমানে রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে প্রধান সহকারী হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে নকিব হোসেন শান্ত রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি টাকা আত্মসাতের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও দায়ী ব্যক্তিদের কাছ থেকে অবিলম্বে এসব অর্থ আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নকিব হোসেন শান্ত প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুলবশত তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এ কারণে অডিট আপত্তি উঠেছে।’ তবে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানকে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান জানান, বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
"টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুলবশত তা রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এ কারণে অডিট আপত্তি উঠেছে"
"এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লক্ষ্মীপুর জেলা, রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গোলাম মুস্তাফা মুন্না (সিনিয়র সহকারী কমিশনার), জাহাঙ্গীর আলম, নকিব হোসেন শান্ত, মাহবুব হাসান (অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা (মোট আত্মসাতের অভিযোগ), ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা ও ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা (দুটি লিজ খাত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!