📌 কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর ওয়্যারিং পরিদর্শক মো. মানিক খানকে গ্রাহক সেবা না দেওয়ার অভিযোগে ১ অক্টোবর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশে আসা আবেদনকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর ওয়্যারিং পরিদর্শক মো. মানিক খানকে গ্রাহক সেবা না দেওয়ার অভিযোগে ১ অক্টোবর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশে আসা আবেদনকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত। দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে কর্মকর্তাকে মানবসম্পদ বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. মানিক খান কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর ওয়্যারিং পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন, যাকে ১ অক্টোবর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
- 📌 আবুল হোসেন (বাবা: মো. আলী আকবর, বাস: কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা দুর্গাপুর) সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশে আসা আবেদনকে গুরুত্ব না দেওয়ার অভিযোগে কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
- 📌 কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী অভিযোগ করেছেন যে, কর্মকর্তা গ্রাহককে সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
- 📌 কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী দীলিপ চন্দ্র চৌধুরী বলেছেন, ‘গ্রাহককে সেবা দেওয়া হলো কর্মকর্তাদের প্রধান কর্তব্য। কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় গ্রাহক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।’
- 📌 চাকরিবিধি অনুযায়ী মো. মানিক খানের বিরুদ্ধে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগে ৪৩(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
- 📌 মো. মানিক খান দাবি করেছেন, তিনি গ্রাহকের আবেদনকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন এবং প্রকল্পের অভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
📰 বিস্তারিত
কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর কর্মকর্তা মো. মানিক খানকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা একটি অফিস আদেশে গ্রাহক সেবা না দেওয়ার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, গত ২০ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সুপারিশে আসা আবুল হোসেনের আবেদনকে গুরুত্ব না দেওয়ার জন্য কর্মকর্তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ একটি অত্যাবশ্যকীয় সেবা। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্যসেবা বিভাগের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হলো গ্রাহকদের যথাযথ সেবা নিশ্চিত করা। কিন্তু মো. মানিক খান দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় একজন গ্রাহক হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ মনে করেছে।
মো. মানিক খান বলেছেন, তিনি আবুল হোসেনের আগে একই আবেদন নিয়ে আসা হয়েছিল। সে সময় প্রকল্পের অভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি দাবি করেছেন, তিনি গ্রাহকের সঙ্গে শুধু এ বিষয়ে কথা বলেছিলেন। তবে কর্তৃপক্ষের মতে, কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন এবং অবহেলা করেছেন।
"গ্রাহককে সেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান কর্তব্য। মো. মানিক খান গ্রাহককে সেবা দিতে পারেননি। ফলে ওই গ্রাহক ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।"
— প্রকৌশলী দীলিপ চন্দ্র চৌধুরী, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কার্যালয়, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা দুর্গাপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মানিক খান (কর্মকর্তা), আবুল হোসেন (গ্রাহক), মনিরুল হক চৌধুরী (সংসদ সদস্য), প্রকৌশলী দীলিপ চন্দ্র চৌধুরী (সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর (সাময়িক বরখাস্ত কার্যকর), ২০ সেপ্টেম্বর (আবেদন দায়ের), ৩০ সেপ্টেম্বর (অফিস আদেশ জারি), ৬ (কুমিল্লা-৬ আসন), ২ (পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!