📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামালপুরের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে নিম্নমানের বালু ব্যবহারে স্থানীয় বাধা, ঠিকাদার অস্বীকার

জামালপুরের বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে নিম্নমানের বালু ব্যবহারে স্থানীয় বাধা, ঠিকাদার অস্বীকার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের ইসলামপুরে নির্মাণাধীন সাড়ে চার কোটি টাকার বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে ছাদ ঢালাইয়ে নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা কাজে বাধা দিয়েছেন। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দুর্গা এন্টারপ্রাইজ নিম্নমানের বালু ব্যবহার অস্বীকার করেছে

জামালপুরের ইসলামপুরে নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দারা কাজে বাধা দিয়েছেন। সাড়ে চার কোটি টাকার এই প্রকল্পে ছাদ ঢালাইয়ে নিম্নমানের বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠে এলাকাবাসীদের প্রতিবাদে নির্মাণকাজে বাধা পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামালপুরের চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম নন্দনেরপাড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে ছাদ ঢালাইয়ে নিম্নমানের চিকন সাদা বালু ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা আকবর হোসেনের দাবি, ঠিকাদারের লোকজন কার্যাদেশ অনুযায়ী লাল বালুর পরিবর্তে নিম্নমানের সাদা বালু ব্যবহার করছিলেন
  • 📌 নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান জানান, লাল বালু না পাওয়ায় মোটা সাদা বালু ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল
  • 📌 প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৩৯ টাকা, কাজ শেষ হওয়ার তারিখ ২০২৭ সালের ৩০ মে
  • 📌 ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুর্গা এন্টারপ্রাইজের পক্ষে নির্মাণকাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা রহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করেছেন

📰 বিস্তারিত

গতকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে নির্মাণস্থলে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান, ছাদ ঢালাইয়ের জন্য নির্মাণস্থলে লাল বালুর পরিবর্তে সাদা বালুর স্তূপ করে রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঠিকাদারের লোকজন কার্যাদেশের বাইরে গিয়ে নিম্নমানের বালু ব্যবহার করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা কাজে বাধা দিলে ঠিকাদারের লোকজন কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন।

আগামী ২০২৭ সালের ৩০ মে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই ঠিকাদারের লোকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করে আসছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় বাসিন্দা আকবর হোসেন জানান, ‘ঠিকাদারের লোকজন লাল বালুর পরিবর্তে নিম্নমানের সাদা চিকন বালু দিয়ে ছাদ ঢালাইয়ের চেষ্টা করেছেন। এর আগেও ছাদে নিয়মবহির্ভূতভাবে ফাঁক রেখে রড বাঁধা হয়েছিল। আমাদের বাধার মুখে তখন কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন তাঁরা। এর আগে পাইলের জন্য ৮০ ফুট লোহার খাঁচা বসানোর কথা থাকলেও ৫৪ ফুট খাঁচা বসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা প্রতিবাদ করায় সেটিও করা সম্ভব হয়নি।’

নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান বলেন, ‘কার্যাদেশ অনুযায়ী লাল বালু ব্যবহারের কথা। কিন্তু লাল বালু না পাওয়ায় মোটা সাদা বালু ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়। ঠিকাদারের লোকজন বালুর স্তূপের ওপর মোটা সাদা বালু দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা কাজে বাধা দিই। পরে উন্নতমানের বালু এনে কাজ করানো হয়েছে।’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুর্গা এন্টারপ্রাইজের পক্ষে নির্মাণকাজ দেখভালের দায়িত্বে থাকা রহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ঠিক নয়। তবে মোটা বালুর ঘাটতি থাকায় পরে মোটা বালু এনে ছাদ ঢালাইয়ে দেওয়া হয়েছে।’

"আমাদের বাধার মুখে তখন কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হন তাঁরা। এর আগে পাইলের জন্য ৮০ ফুট লোহার খাঁচা বসানোর কথা থাকলেও ৫৪ ফুট খাঁচা বসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। আমরা প্রতিবাদ করায় সেটিও করা সম্ভব হয়নি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জামালপুরের চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম নন্দনেরপাড়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকবর হোসেন, মো. আব্দুর রহমান, রহিদুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৫৩ হাজার ৭৩৯ টাকা (প্রকল্পের চুক্তিমূল্য), ৮০ ফুট (পাইলের জন্য নির্ধারিত লোহার খাঁচা), ৫৪ ফুট (বাস্তবে বসানো লোহার খাঁচা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖