📌 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন শুরু করেছে। রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা ছাড়াই ৮৭ জন চিকিৎসককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এ পদ্ধতিতে মেধা ও যোগ্যতা মূল্যায়ন করা হবে
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন পদ্ধতিতে বিপ্লবী পরিবর্তন আনেছে। রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনো প্রভাব ছাড়াই অটোমেশন পদ্ধতিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের বক্তব্যে এই পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন ঘোষণা করেন: চিকিৎসকদের বদলি-পদায়নে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হবে না
- 📌 অটোমেশন পদ্ধতিতে ৮৭ জন চিকিৎসককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে — মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে
- 📌 স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত
- 📌 অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে চিকিৎসকদের পদায়নে দলীয়করণ ও দুর্নীতি ঘটেছিল
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, ভবিষ্যতে পুরো মন্ত্রণালয়কে এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর চিকিৎসকদের বদলি ও পদায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দের ভিত্তিতে পদায়ন করা হবে। এতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়, রাজনৈতিক বিবেচনা বা অন্য কোনো প্রভাবের সুযোগ নেই। অটোমেশন পদ্ধতির কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যতে পুরো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।’
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত উপস্থিত ছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন। অতীতে, বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে, চিকিৎসকদের পদায়নে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। যোগ্য ব্যক্তিদের যথাযথ মূল্যায়ন না করে দলীয় বিবেচনায় পদ দেওয়ায় স্বাস্থ্যব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছিল।’
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব ড. আ. ন. ম. বজলুর রশিদ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব এ. কে. এম. বেঞ্জামিন রিয়াজী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"অটোমেশন পদ্ধতিতে চিকিৎসকদের মেধা, যোগ্যতা ও পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে বদলি ও পদায়ন করা হবে। এতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ থাকবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত, সচিব ড. বজলুর রশিদ, সচিব বেঞ্জামিন রিয়াজী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ জন চিকিৎসক পদোন্নতি, ৪০ হাজার চিকিৎসক কর্মরত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!