📌 স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শনে বলেছেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে আর কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। তিনি সাপের কামড়ের চিকিৎসা ব্যবস্থা ও হাসপাতাল উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও উল্লেখ করেছেন
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সরকারি হাসপাতালের সামনে আর কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এই ঘোষণা দেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি হাসপাতালের সামনে আর কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না — মন্ত্রীর ঘোষণা
- 📌 আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ১৫১ করা হবে
- 📌 দুই বছরের মধ্যে ১০ জন রোগীকে একসাথে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে
- 📌 সাপের কামড়ে রোগী মারা যাওয়ার কারণ হিসেবে দেরি ও পর্যবেক্ষণের অভাব উল্লেখ করেন মন্ত্রী
- 📌 হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার অনিয়মের চিত্র তুলে ধরলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সকাল ১০টায় আকস্মিক পরিদর্শনে উপস্থিত হন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘বিগত সরকারের আমলে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। আমরা সরকারে আসার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। এটি সম্পূর্ণ বন্ধ। আর যেগুলো অনুমোদন রয়েছে, যদি যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করে, তবে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।’’
সাপের কামড়ে রোগী মারা যাওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘‘সাপ কামড়ানোর পর রোগীটি বিষধর সাপের দংশনে আক্রান্ত কি না তা বোঝার জন্য কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অনেক সময় হাসপাতালে আসতে দেরি করায় রোগীর অবস্থা বেশি আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। তাই সাপ দংশনের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসুন। দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।’’
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘আগামী অক্টোবর মাস থেকে এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে ১০ জন রোগীকে একসঙ্গে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি দুই বছরের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।’’
পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অনিয়মের চিত্র তুলে ধরলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন মন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন তিথি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খান।
"এ কথা অস্বীকার করার কিছু নেই যে, বিগত সরকারের আমলে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা সরকারে আসার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না, এটি টোটালি বন্ধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মুন্সীগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ সেপ্টেম্বর, ১০ টা, ৫০ শয্যা → ১৫১ শয্যা, ১০ জন ডায়ালাইসিস রোগী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!