📌 বর্তমান সরকার শ্রমিক অধিকার ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর শ্রম উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিতকরণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় কাজ করছে
বাংলাদেশের বর্তমান সরকার শ্রমিক অধিকার ও কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন (আইটিইউসি) এবং ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব এম্প্লয়ার্স (আইওই)-এর প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎকালে এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর শ্রম উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, শ্রমিক অধিকার ও কর্মসংস্থান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার
- 📌 সরকার শ্রম আইন সংশোধন করে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ১৫৫, ১৮৭ ও ১৮৯ অনুমোদন করেছে
- 📌 আইটিইউসি ও আইওই-এর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের শ্রম সংস্কারমূলক পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন
- 📌 শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদারও উপস্থিত ছিলেন
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শ্রমিক কল্যাণ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
📰 বিস্তারিত
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি উল্লেখ করেন, শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বৈঠকে ইপিজেডের অর্থনৈতিক ভূমিকা ও কর্মসংস্থানের ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণে আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নের আলোচনা হয়েছে।
মাহ্দী আমিন বলেন, সরকার শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর পরামর্শ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, "প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা, মালিক-শ্রমিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং কার্যকর সামাজিক সংলাপ প্রতিষ্ঠা করা সরকারের মূল লক্ষ্য।" পাশাপাশি মানসম্মত কর্মসংস্থান ও শ্রমশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
সাক্ষাৎকারে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদলেও ছিলেন আইটিইউসি-এর জেনারেল সেক্রেটারি লুক ট্রায়াঙ্গল, আইওই-এর ভাইস-চেয়ার কাইজার মোয়ানে, আইএলও গভর্নিং বডির মেম্বার জেস ভোগট এবং আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনুন।
মাহ্দী আমিন আরও বলেন, "দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকার বাংলাদেশ শ্রম আইন সংশোধন করেছে এবং শ্রম অধিকার ও সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে আইএলও কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭ এবং ১৮৯ অনুমোদন করেছে।" তিনি উল্লেখ করেন, সরকার শ্রম প্রশাসনকে দক্ষ ও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি ও কার্যকর সামাজিক সংলাপ প্রতিষ্ঠায় পদক্ষেপ নিয়েছে।
"আইএলও রোডম্যাপ বাস্তবায়নে আমাদের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পথনকশা অনুধাবনে এই সফর ও ত্রিপক্ষীয় আলোচনা বিশেষ সহায় হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সরকার শ্রমিক কল্যাণ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহ্দী আমিন (প্রধানমন্ত্রীর শ্রম উপদেষ্টা), আরিফুল হক চৌধুরী (শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর (সাক্ষাৎকারের তারিখ), ১৫৫, ১৮৭, ১৮৯ (আইএলও কনভেনশন নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!