📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও এক হাজারাধিক মেধাবী প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন, গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের নামে স্বপ্ন ধ্বংস করা হচ্ছে। বাদ পড়া প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি অভিযোগ না থাকলেও তাদের নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও বিপুলসংখ্যক মেধাবী প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এই প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে বর্তমান সরকার। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই অভিযোগ তুলেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও এক হাজারাধিক মেধাবী প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি
- 📌 গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী তরুণদের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করা হয়েছে
- 📌 লিখিত পরীক্ষা ও অন্যান্য ধাপ সফল করে ৮ মাস ধরে চলেছে অনিশ্চয়তা
- 📌 বাদ পড়া প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা জিডি তথ্য নেই
- 📌 নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন, নিরপরাধ প্রার্থীদের নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে
📰 বিস্তারিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হলেও এক হাজারাধিক মেধাবী প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এই প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে বর্তমান সরকার। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে এই অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষিত বেকারদের সবশেষ আশ্রয়স্থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের সরকার।’
নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করা হয়েছে। লিখিত ও অন্যান্য ধাপের পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও তাঁদের নিয়ে দীর্ঘ আট মাস ধরে চলেছে ভেরিফিকেশনের নামে এক অনিশ্চয়তা ও হয়রানির প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত এসব তরুণদের নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেছেন, বাদ পড়াদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা বা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তথ্য নেই। তাঁদের বিরুদ্ধে অতীতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে কিংবা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া যায়নি। এরপরও কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে তাঁদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম সরকারকে জবাবদিহি দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এমন মেধা, যোগ্যতা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয় বরং রাষ্ট্রের নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
"আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় দাবি জানাচ্ছি, যাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, এমন প্রত্যেক নিরপরাধ প্রার্থীর নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাহিদ ইসলাম (এনসিপি আহ্বায়ক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক হাজার মেধাবী প্রার্থী, আট মাস অনিশ্চয়তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!