📌 জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২৭ জেলায় ৭৭৮ জন চূড়ান্ত প্রার্থীকে ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি সরকারকে দায়িত্বশীলতা দেখাতে আহ্বান জানিয়েছেন
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অশনিসংকেতের সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভেরিফিকেশনের নামে ২৭ জেলায় অন্তত ৭৭৮ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এই বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং সরকারকে দায়িত্বশীলতা দেখাতে আহ্বান জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ২৭ জেলায় ৭৭৮ জন চূড়ান্ত প্রার্থীকে ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 প্রার্থীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে
- 📌 মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে বাদ পড়া প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 তিনি দাবি করেছেন, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা বৈষম্যের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে
📰 বিস্তারিত
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা সহ সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়া প্রার্থীদেরকে হঠাৎ করে কোনো আইনি বা মানদণ্ডের ভিত্তিতে বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক পরিচয়, মতাদর্শ বা সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি আরও বলেন, সরকারি চাকরি কোনো দলের আনুগত্যের পুরস্কার নয় এবং রাজনৈতিক বা পারিবারিক পরিচয় মেধা ও যোগ্যতার বিকল্প হতে পারে না।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে কারা বাদ পড়েছেন এবং কেন বাদ পড়েছেন তা জানার অধিকার দেশের জনগণের। তিনি সরকারকে আহ্বান জানিয়েছেন, অবিলম্বে নিয়োগপত্র না পাওয়া চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করুন এবং প্রত্যেকের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানান। তিনি আরও বলেছেন, ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করতে হবে।
তিনি আরও বলেছেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কোনো নিরপরাধ প্রার্থী অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়ে থাকলে অবিলম্বে তার প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি দাবি করেছেন, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা বৈষম্যের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কোনো প্রার্থী অন্যায়ভাবে বাদ পড়ে থাকলে তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।
"লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নির্ধারিত সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের হঠাৎ করে কোন আইনে, কোন মানদণ্ডে এবং কার সিদ্ধান্তে তাদের বাদ দেওয়া হলো। অনেকের গুরুতর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও বহু প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (২৭ জেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৭৮ জন বাদ পড়া প্রার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!