📌 ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সফিউল্লাহ জগলু সরকারি চাকরি করেও এনসিপির উপজেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে আচ্ছন্ন। সরকারি কর্মচারী বিধিমালা লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা সফিউল্লাহ জগলু সরকারি চাকরি করেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর উপজেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে আচ্ছন্ন। এই ঘটনায় সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সফিউল্লাহ জগলু সরকারি চাকরি করেও এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে আচ্ছন্ন।
- 📌 গভর্নমেন্ট কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এর ২৫(১) ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক পদে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ।
- 📌 এনসিপি ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান বলেছেন, “গভর্নমেন্ট কর্মচারীদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আমাদের ভুল ছিল নামের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ে।”
- 📌 চরফ্যাশন উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অহিদ ফয়সাল দাবি করেছেন, “তাঁর নাম ভুলবশত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। আমাদের রাজনীতিতে তার মৌন সম্মতি রয়েছে।”
- 📌 সফিউল্লাহ জগলু অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেছেন।
- 📌 চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী বলেছেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। জেলা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।”
- 📌 ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, “আমাকে সরকারি ম্যানুয়াল দেখতে হবে এবং তার অবস্থান যাচাই করতে হবে। আমি বিষয়টি দেখছি।”
📰 বিস্তারিত
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা সফিউল্লাহ জগলু সরকারি চাকরি করেও এনসিপির উপজেলা কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে আচ্ছন্ন। এনসিপির চরফ্যাশন উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির সাত সদস্যের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিধিনিষেধ লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে।
গভর্নমেন্ট কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর ২৫(১) ধারা অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ। তবে সফিউল্লাহ জগলু সরকারি চাকরি করেও এনসিপির কমিটিতে পদে অন্তর্ভুক্তির ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে।
এনসিপি ভোলা জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান বলেছেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। আমাদের কাছে নামের তালিকা এসেছে। তবে যাচাই-বাছাইয়ে আমাদের ভুল ছিল। সরকারি চাকরিজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।”
চরফ্যাশন উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক অহিদ ফয়সাল দাবি করেছেন, “আমি সরকারি চাকরি করি। আমাদের রাজনীতিতে তার মৌন সম্মতি রয়েছে। তবে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর ভুলবশত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।”
সফিউল্লাহ জগলুর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রাজন আলী বলেছেন, “বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি।”
ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, “আমাকে সরকারি ম্যানুয়াল দেখতে হবে এবং তার অবস্থানও যাচাই করতে হবে। আমি বিষয়টি দেখছি।”
"আমাদের ভুল ছিল নামের তালিকা যাচাই-বাছাইয়ে। সরকারি চাকরিজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সুযোগ নেই।"
"আমি সরকারি চাকরি করি। আমাদের রাজনীতিতে তার মৌন সম্মতি রয়েছে। তবে তাঁর নাম ও ফোন নম্বর ভুলবশত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরফ্যাশন উপজেলা, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সফিউল্লাহ জগলু, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, অহিদ ফয়সাল, ডা. মো. রাজন আলী, মো. রফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫(১) (গভর্নমেন্ট কর্মচারী বিধিমালা, ১৯৭৯), ৭ (কমিটির সদস্য সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!