📌 সরকার উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য 'পরিদর্শন কক্ষ' বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছে এবং মাসিক সভার কার্যবিবরণী নিয়মিত স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর জন্য চাপ দিয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. মোজাম্মেল হক রাসেলের স্বাক্ষরিত দুটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে
সরকার উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য দাপ্তরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. মোজাম্মেল হক রাসেলের স্বাক্ষরিত নির্দেশনা অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং তাদের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার জন্য তাদের পরামর্শ গ্রহণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভার কার্যবিবরণী নিয়মিত সরকারের কাছে পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং তা সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।
- 📌 ২৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ২৭(৪) ধারা অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের সভার কার্যবিবরণী সভা হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে পাঠাতে হবে।
- 📌 প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে আগের মাসের সভার কার্যবিবরণীর সফট কপি ই-মেইল এবং হার্ডকপি ডাকযোগে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।
- 📌 উদাহরণস্বরূপ ছাদভিত্তিক সোলার প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য কার্যবিবরণী পাঠানোর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ (২০০৯ ও ২০২৬ সালে সংশোধিত)–এর ২৫ ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসকদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে যে, সংসদ সদস্যদের উপজেলা পরিষদে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
অপর একটি নির্দেশনা অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের সভার কার্যবিবরণী নিয়মিত সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে না। স্থানীয় সরকার বিভাগের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অধিকাংশ উপজেলা পরিষদ থেকে নিয়মিত সভার কার্যবিবরণী সরকারের কাছে পাঠানো হচ্ছে না। এর ফলে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণেও সমস্যা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, ছাদভিত্তিক সোলার প্যানেল স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে আগের মাসের সভার কার্যবিবরণীর সফট কপি স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্ধারিত ই-মেইলে এবং হার্ডকপি ডাকযোগে পাঠাতে বলা হয়েছে। এই নির্দেশনা দুটি সব সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
"উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮–এর ২৭(৪) ধারা অনুযায়ী পরিষদের প্রতিটি সভার কার্যবিবরণীর একটি অনুলিপি সভা হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে সরকার ও সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্যের কাছে পাঠানোর বিধান রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উপজেলা পরিষদ (সারাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মোজাম্মেল হক রাসেল (স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫, ২৭(৪), ১৪ দিন, ৭ তারিখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!