📌 ১২ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটির পঞ্চম বৈঠকে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দরের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধের ওপর জোর দেওয়া হয়
১২ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত কমিটির পঞ্চম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও কমিটির সভাপতি নূরুল ইসলাম মনির। বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা কার্যক্রম এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির পঞ্চম বৈঠক। সভাপতিত্ব করেন চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির।
- 📌 বৈঠকে চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা কার্যক্রম ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়।
- 📌 বন্দরে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারি অর্থের অপচয় রোধের ওপর জোর দেওয়া হয়।
- 📌 চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি করা হয়।
- 📌 কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান জটিলতা নিরসনের ওপর আলোচনা হয়।
- 📌 মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর নজর দেওয়া হয়।
- 📌 গায়েব হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার — এই বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।
- 📌 বন্দরগুলোর দীর্ঘদিনের নিরীক্ষা আপত্তি নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
📰 বিস্তারিত
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও হুইপগণ অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদী, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান এবং মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
বৈঠকে আলোচিত বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা। সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে "গায়েব হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম বন্দর" শিরোনামে এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। বৈঠকে এই সংবাদের আলোকে বন্দরের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার ওপর আলোচনা হয়।
বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য কনটেইনার ও যানবাহন দ্রুত নিষ্পত্তি এবং কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি বন্দরের কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।
মোংলা ও পায়রা বন্দরের ড্রেজিং কার্যক্রম, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট নিরীক্ষা আপত্তি পর্যালোচনাকালে প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন ও সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম বা আর্থিক ক্ষতির বিষয় প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারণ এবং বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হিসাব মহানিয়ন্ত্রক (সিজিএ), অতিরিক্ত হিসাব মহানিয়ন্ত্রক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এবং বন্দর কর্তৃপক্ষগুলোর কর্মকর্তারা।
"গায়েব হয়ে যাচ্ছে একের পর এক পণ্যভর্তি কনটেইনার, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে চট্টগ্রাম বন্দর"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় সংসদ ভবন), চট্টগ্রাম বন্দর, মোংলা বন্দর, পায়রা বন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনির, মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদী, খোন্দকার আবু আশফাক, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মোহাম্মদ কামাল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!