📌 তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না। তিনি পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ এবং গণমাধ্যমের মানোন্নয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতি জোরালোভাবে প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণ ও তাদের সমস্যা সমাধানে সরকারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা সভায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করার কোনো উদ্দেশ্য নেই এবং পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ, গণমাধ্যমের মানোন্নয়ন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণ নিশ্চিতকরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না, বরং পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশে মনোনিবেশ করছে।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুঁইফোঁড় পেজ ও অনলাইন পোর্টাল থেকে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে, যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
- 📌 সাংবাদিকদের পরিচয় ও মাপকাঠি নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও ডিআরইউসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনদের সঙ্গে আলোচনা হবে।
- 📌 সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা প্রদানসহ সাংবাদিকদের জন্য নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাপকাঠি নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন প্রতিমন্ত্রী।
- 📌 ডিআরইউর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ডিআরইউর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে।
- 📌 সাংবাদিকদের জন্য সময়োপযোগী ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতা প্রকাশ করে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
- 📌 ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেছেন, সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো দেখভালের দায়িত্ব তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের।
- 📌 ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী সাংবাদিকদের কল্যাণ ও পেশাগত মানোন্নয়নের প্রতি সরকারের প্রতিশ্রুতি পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুঁইফোঁড় পেজ ও অনলাইন পোর্টাল থেকে গুজব ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এতে সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, মূলধারার গণমাধ্যমের বাইরে অনেকেই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এটি একটি বড় সমস্যা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সাংবাদিক কারা—তার একটি গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা ও মাপকাঠি নির্ধারণ করা জরুরি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ডিআরইউসহ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সংগঠন ও সম্পাদকদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় ও আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়েও বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা প্রদানসহ সাংবাদিকদের জন্য বিভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মাপকাঠির প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ডিআরইউর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন। সাংবাদিকদের জন্য সময়োপযোগী ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতার কথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতি অর্জনে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করা হবে।
সভায় ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেছেন, সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো দেখভালের দায়িত্ব তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, সরকার গণমাধ্যমবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেছেন, ডিআরইউ একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পেশাদার সাংবাদিকদের কল্যাণ ও মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিকদের হয়রানি থেকে রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
"মূলধারার গণমাধ্যমের বাইরে অনেকেই একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন। এটি একটি বড় সমস্যা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!