📅 ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মন্ত্রিসভা অনুমোদন: সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে নতুন সংশোধনী অধ্যাদেশ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
মন্ত্রিসভা অনুমোদন: সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা আধুনিকায়নে নতুন সংশোধনী অধ্যাদেশ

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মন্ত্রিসভা সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

মন্ত্রিসভা সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করার উদ্যোগে 'পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করেছে। রোববার সকালে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মন্ত্রিসভা সরকারি ক্রয় আইনে নতুন সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে, যা দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়াবে
  • 📌 পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ খসড়ায় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও 'রেডেট ক্রাইটেরিয়া'-ভিত্তিক মূল্যায়ন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে
  • 📌 সীমিত দরপত্র পদ্ধতি ও পেশাগত অসদাচরণের বিধান স্পষ্ট করা হয়েছে, জরুরি অবস্থায় বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখা হয়েছে
  • 📌 লেজিসলেটিভ বিভাগ এখন খসড়া অধ্যাদেশের ভেটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে

📰 বিস্তারিত

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি ক্রয় আইনে সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা ও ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে, ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার বিধান আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও টেকসই সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত 'রেডেট ক্রাইটেরিয়া' ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রণীত হয়েছে।

এছাড়া, সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ, পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিধান আরও স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, এসব পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত খসড়া অধ্যাদেশটি এখন লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। উল্লেখ্য, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ সংশোধন করে ২০২৬ সালের আইনে সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, দক্ষতা, নৈতিকতা, গুণগতমান, টেকসই ক্রয় এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

"পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬'-এর মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও ক্রয় কার্যক্রমে প্রতিযোগিতার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (মন্ত্রিসভা বৈঠক)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৬ (অধ্যাদেশের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖