📌 টাঙ্গাইল ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টয়লেট ও পরিত্যক্ত ভবনে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ আবিষ্কার করে দুর্নীতি দমন কমিশন। ঘটনায় উপজেলা কর্মকর্তা ডা. আবু নইম মোহাম্মদ সোহেলকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত করা হয়েছে। দুদক সূত্রে জানা যায়, ওষুধ ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল যমুনা নদীতে
টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টয়লেট ও পরিত্যক্ত ভবনে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের অরক্ষিত অবস্থায় আবিষ্কার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নইম মোহাম্মদ সোহেলকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি এনফোর্সমেন্ট দল অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণ ও বিতরণের নানা অনিয়মের সন্ধান পেয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ঘাটাইল হাসপাতালের টয়লেট ও পরিত্যক্ত ভবনে** বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের অরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া গেছে
- 📌 **২৬ আগস্ট রাতে** হাসপাতাল থেকে ওষুধ ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল যমুনা নদীতে, কিন্তু স্থানীয় জনতা পিকআপটি আটক করে
- 📌 **পুলিশ ওষুধ জব্দ করে** এবং চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়, ঘটনার পরদিন বাদী হয়ে মামলা করেন ডা. সোহেল
- 📌 **দুদক সূত্রে জানা যায়**, ঘটনায় গাফিলতি, তদন্তে গাফিলতি এবং ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে
- 📌 **হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ** ওষুধের মেয়াদ ও ধরন সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে পারেনি
- 📌 **ফখরুল ইসলামের মতে**, ওষুধের পরিমাণে গণমাধ্যম ও থানার জব্দকৃত বস্তার মধ্যে ব্যাপক গরমিল রয়েছে
📰 বিস্তারিত
দুদকের এনফোর্সমেন্ট দল ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের ওষুধ সংরক্ষণ, মজুত ও বিতরণ সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা যায়, ঘটনায় নানা অনিয়ম, তদন্তে গাফিলতি এবং মূল ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক ফখরুল ইসলাম জানান, ওষুধ ফেলে দেওয়ার ঘটনায় থানায় খুবই সামান্য পরিমাণ ওষুধ জব্দ হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওষুধের বস্তার পরিমাণের সঙ্গে ব্যাপকভাবে মেলে না।
ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, “এত বড় একটি কেলেঙ্কারির পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিপুল পরিমাণ ওষুধ হাসপাতালের টয়লেট ও পরিত্যক্ত ভবনে ফেলে রেখেছে। এতে তাদের অবহেলার চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ওষুধের মেয়াদ ও ধরন সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য না দেওয়া তাদের চরম অবহেলা প্রকাশ করে।”
ঘটনায় জড়িত মূল কারিগর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া ও তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন দুদকের কর্মকর্তা।
"শুরু থেকেই এই প্রক্রিয়ায় চরম গাফিলতি ও তদন্তের নামে দায়সারা কার্যক্রম চালানো হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ওষুধের বস্তার পরিমাণের সঙ্গে থানায় জব্দ করা বস্তার সংখ্যায় ব্যাপক গরমিল রয়েছে। মূলত ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে অনেক পক্ষ জড়িত বলে মনে হচ্ছে।"
দুদকের অভিযান চলাকালীন জানা যায়, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওষুধ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য তদন্ত চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আবু নইম মোহাম্মদ সোহেল, ফখরুল ইসলাম, পুলিশ কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ (আগস্ট মাসের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!