📌 রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দুটি মন্দিরের নামে চাল বরাদ্দ ও উত্তোলনের অভিযোগে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা ভুয়া পূজামণ্ডপ দেখিয়ে চাল উত্তোলন করেছেন
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দুটি মন্দিরের নামে চাল বরাদ্দ ও উত্তোলনের অভিযোগে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানিয়েছেন, পর্যবেক্ষণ করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় দুটি মন্দিরের নামে ১২ হাজার ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ ও উত্তোলনের অভিযোগে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে।
- 📌 বেতগাড়ি ইউনিয়নের ২১টি পূজামণ্ডপের মধ্যে দুটি মন্দিরের নামে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি।
- 📌 পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাইদুল ইসলাম অভিযোগে জড়িত।
- 📌 মন্দিরের সভাপতিরা দাবি করেছেন, তারা কোনো স্বাক্ষর করেননি এবং পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি।
- 📌 পূজা উদযাপন কমিটিকে তলব করা হয়েছে এবং উত্তোলিত চাল ফেরত দেবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানিয়েছেন, ১১ অক্টোবরের বরাদ্দ তালিকা অনুযায়ী বেতগাড়ি ইউনিয়নের ২১টি পূজামণ্ডপের প্রতিটির নামে ৬০০ কেজি করে মোট ১২ হাজার ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। তালিকায় পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দির এবং পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মন্দিরের নাম থাকলেও, এসব মন্দিরে পূজা অনুষ্ঠিত হয়নি।
পুটিমারী পশ্চিমপাড়া দুর্গা মন্দিরের সভাপতি স্বাধীন চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমি কোনো স্বাক্ষর করেনি। পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তপন চন্দ্র এসব কাজ করেছেন। পরে জানতে পেরেছি।’ অন্যদিকে, পশ্চিম খাপড়িখাল সার্বজনীন কালী ও দুর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিমল চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘২০২৫ সাল থেকে এখানে কোনো পূজা উদযাপন করা হয়নি। এবারও হয়নি। কে বা কারা এসব কাজ করেছেন, তাদের শাস্তি চাই।’
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাইদুল ইসলাম প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং পরে বলেন, ‘এটা কোনো বিষয় না। এগুলো অটোমেটিক ঠিক হবে।’ অন্যদিকে, পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন কুমার রায় বলেন, ‘এটা ভুল হয়েছে। আমরা (চাল) ফেরত দেব।’
"বিষয়টি জানার পর আমরা পর্যবেক্ষণ করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। পূজা উদযাপন কমিটিকে তলব করা হয়েছে। বরাদ্দ ও চাল উত্তোলনের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কারও অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
জেসমিন আক্তার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গঙ্গাচড়া উপজেলা, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেসমিন আক্তার (ইউএনও), স্বাধীন চন্দ্র রায়, পরিমল চন্দ্র রায়, মাইদুল ইসলাম (পিআইও), তপন কুমার রায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ অক্টোবর, ২১টি পূজামণ্ডপ, ৬০০ কেজি প্রতি মন্দির, ১২ হাজার ৬০০ কেজি চাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!