📅 ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফারাক্কা চুক্তি শেষে পদ্মা পানি সংকট: প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ, ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি চায় বাংলাদেশ

ফারাক্কা চুক্তি শেষে পদ্মা পানি সংকট: প্রতিমন্ত্রী আশাবাদ, ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি চায় বাংলাদেশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন পদ্মা নদী পরিদর্শনের পর জানান, ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি শেষে বাংলাদেশের পানি সংকটের সমাধান হলে ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আশাবাদী। শুকনো মৌসুমে ৩০ হাজার কিউসেক পানি পাওয়ার আশা রেখে তিনি ভারতের নতুন হাইকমিশনারকে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের আশ্বাস দেন

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন পদ্মা নদীর পানি সংকটের সমাধান ও ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যতের ফারাক্কা চুক্তি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করলে বাংলাদেশের পানি সংকট মিটবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফারাক্কা চুক্তি শেষে ১২ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের পানি সংকটের সমাধান চায় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।
  • 📌 শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশের জন্য ৩০ হাজার কিউসেক পানি প্রয়োজন, কিন্তু কোনো মাসে মাত্র ৫ হাজার কিউসেক পানির বেশি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
  • 📌 ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের দাবি নিয়ে দিল্লিতে আলোচনা করবেন।
  • 📌 পদ্মা নদী পরিদর্শন রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার কুঠিপাড়া মহল্লায় অনুষ্ঠিত।
  • 📌 ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন রাজশাহীতে পদ্মা নদী পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের পানি সংকটের সমাধান করা সম্ভব হলে ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করা উচিত। তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ডিসেম্বর থেকে ভারতের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পর আমাদের পানি সংকটের সমাধান করা সম্ভব হলে ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবো।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, শুকনো মৌসুমে বাংলাদেশের জন্য কমপক্ষে ৩০ হাজার কিউসেক পানি প্রয়োজন, কিন্তু কোনো মাসে মাত্র ৫ হাজার কিউসেক পানি পাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় ভারতীয় ও বাংলাদেশী টেকনিশিয়ানরা প্রতিদিন পানির পরিমাণ পরিমাপ করছেন। আমরা আশা করি, ভারতের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বাংলাদেশের পানি সংকটের সমাধান হবে।’

ফরহাদ হোসেন আরও জানান, ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশের দাবি নিয়ে দিল্লিতে যোগাযোগ করবেন। তিনি বলেন, ‘তিনি আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, তিনি দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন। আমরা তাঁর বার্তা নিয়ে অগ্রগতি জানতে পারব।’

ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের জন্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নদী ও পানি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত জুনে কলকাতায় একটি সভাও হয়েছে। পরবর্তীতে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল তিতুমীরের নেতৃত্বে আরেকটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

"আমরা আশা করব, পার্শ্ববর্তী দেশ বিগত দিনের চিন্তা-চেতনা থেকে বের হয়ে এসে বাংলাদেশের মানুষের বন্ধু হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, গোদাগাড়ী পৌরসভা, কুঠিপাড়া মহল্লা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরহাদ হোসেন (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ ডিসেম্বর (চুক্তি শেষের তারিখ), ৩০ হাজার কিউসেক (পানি প্রয়োজন), ৫ হাজার কিউসেক (পাওয়ার পরিমাণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖