📌 সরকার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে ৮টি শর্ত নির্ধারণ করেছে। গ্রামীণ হতদরিদ্র, নারীপ্রধান পরিবার ও বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নির্ধারিত আয়, সম্পদ বা সরকারি চাকরি থাকলে সুবিধা থেকে বাদ পড়তে হবে। ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচি
সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় কারা নগদ সহায়তা পাবেন এবং কারা ৮টি শর্তের কারণে বাদ পড়বেন তা নিয়ে সরকার চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশ করেছে। ঢাকা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে গ্রামীণ হতদরিদ্র, নিম্নআয়ের মানুষ, ভূমিহীন, নারীপ্রধান ও বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারসমূহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নির্ধারিত আয়, সম্পদ, সরকারি চাকরি বা নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিয়োগ থাকলে সুবিধা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ পড়তে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অগ্রাধিকার পাবেন: গ্রামীণ হতদরিদ্র, চরম অসচ্ছল দিনমজুর, ভূমিহীন, নারীপ্রধান পরিবার, বিধবা, প্রতিবন্ধী বা অটিজম আক্রান্ত সদস্য থাকা পরিবার, ১৫-১৮ বছর বয়সী অবিবাহিত মেয়ে থাকা পরিবার
- 📌 বাদ পড়বেন: সরকারি চাকরি, পেনশন, ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়, তিন বা চার চাকার মোটরযান মালিক, করযোগ্য আয় বা ০.৫০ একর জমি থাকলে
- 📌 ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে তথ্য সংগ্রহ কর্মসূচি — সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন
- 📌 সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেম ও এমআইএস ডাটাবেজ ব্যবহার করে প্রকৃত সুবিধাভোগী বাছাই করা হবে
- 📌 নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য অর্থ দাবি করলে ১০৯৮ নম্বরে জানাতে বলা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ৮ অক্টোবর একটি নির্দেশনা জারি করে বলেছে, প্রশিক্ষিত কর্মীরা সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই তথ্য সংগ্রহ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং সরকারি সহায়তা নম্বর ১০৯৮-এ জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যদি কেউ অর্থ দাবি করে। সংগৃহীত তথ্যাবলি স্বচ্ছতার সাথে প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য সরকারের ডিজিটাল ‘সিঙ্গেল রেজিস্ট্রি সিস্টেম’ ও এমআইএস ডাটাবেজ ব্যবহার করা হবে। এতে জাতীয় পরিচয়পত্র, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংক হিসাব, টিআইএন এবং বিআরটিএ ডাটাবেজের মাধ্যমে তথ্যের দ্বৈততা যাচাই করা হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য অগ্রাধিকার পাবেন এমন পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছে: গ্রামীণ হতদরিদ্র, চরম অসচ্ছল দিনমজুর ও ভূমিহীন পরিবার; বসতঘরের দেয়াল মাটি, বাঁশ বা পাটকাঠি দিয়ে তৈরি এবং নিজস্ব কৃষিযোগ্য জমি না থাকা পরিবার; নারীপ্রধান পরিবার, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা বা অসচ্ছল নারী; প্রতিবন্ধী বা অটিজম আক্রান্ত সদস্য থাকা পরিবার; এবং ১৫-১৮ বছর বয়সী অবিবাহিত মেয়ে থাকা পরিবার।
অন্যদিকে, সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি বা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেলে, সরকারি পেনশন বা অবসর সুবিধা গ্রহণ করলে (প্রতিবন্ধী সন্তানের বিশেষ পেনশন ব্যতীত), জাতীয় সঞ্চয়পত্র, এফডিআর বা ব্যাংকে ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয় ও বিনিয়োগ থাকলে, বিআরটিএ নিবন্ধিত তিন বা চার চাকার মোটরযান (কার, জিপ, পিকআপ, মাইক্রোবাস, সিএনজি বা ট্রাক) থাকলে, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত বড় ব্যবস্থার মালিক হলে, করযোগ্য আয় থাকলে এবং নিয়মিত আয়কর রিটার্ন প্রদানকারী হলে, বা বসতভিটাসহ পরিবারের আবাদি জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার বেশি হলে সুবিধা থেকে বাদ পড়তে হবে।
"সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সামাজিক ও আর্থিক অবস্থার প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে ১০৯৮ নম্বরে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (সরকারি কর্মসূচি শুরু)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরকারি কর্মীরা, নারীপ্রধান পরিবার, বিধবা, প্রতিবন্ধী, দুস্থ পরিবার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮টি শর্ত, ৫ লাখ টাকা, ০.৫০ একর জমি, ১৫-১৮ বছর বয়স
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!