📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্নীতির জন্য কোনো ক্ষমা হবে না এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন। তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সতর্কবার্তা দিয়েছেন যে, কার্ড সংক্রান্ত কোনো দুর্নীতির জন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হবে না এবং তারা আইনগত ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে পারেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন এবং বলেছেন, দুর্নীতির জন্য কোনো ক্ষমা হবে না।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০২৬ সালের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-২০২৬ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারীদের সতর্ক করেছেন যে, দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের বাড়ি থেকে কাজ শুরু করতে হবে।
- 📌 কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাচনের আগে পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছিল, কিন্তু মাঠপর্যায়ে অনিয়মের কারণে প্রধানমন্ত্রী সিস্টেম পরিবর্তন করেছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী কলমাকান্দা-দুর্গাপুরবাসীদের অত্যন্ত ভালোবাসেন বলে প্রথমে এই উপজেলাকে পরীক্ষামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় ডেপুটি স্পিকার বলেছেন, দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের বাড়ি থেকে কাজ শুরু করতে হবে এবং বিল্ডিং বা হাফ-বিল্ডিংয়ের অধিবাসীদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি নির্বাচনের আগেও পকেটে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ঘুরেছি এবং স্পষ্ট বলেছিলাম—কার্ড নিয়ে দুর্নীতি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেব। আজও সতর্ক করছি, এবারও ব্যত্যয় ঘটলে ছাড় দেওয়া হবে না, সোজা চৌদ্দ শিকের ভেতরে যেতে হবে।”
২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি-২০২৬’ এবং ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-২০২৬’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, পূর্বে একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে কাজ না করলেও তাদের সততার অভাব ছিল। ফলে তারা সঠিকভাবে কাজ করতে পারেননি।
তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কলমাকান্দা-দুর্গাপুরবাসীকে অত্যন্ত ভালোবাসেন বলেই প্রথম ধাপে পরীক্ষামূলক যে ২-৩টি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছিল, তার মধ্যে কলমাকান্দাকে রেখেছিলেন। কিন্তু মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রাহকদের অনিয়মের কারণে এই ভালোবাসার অপব্যবহার হয়েছিল। বিষয়টি ঢাকায় তুলে ধরার পর প্রধানমন্ত্রী তা আমলে নেন এবং তথ্য সংগ্রহের পুরো সিস্টেম পরিবর্তন করেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেংগুড়াতে এসে দুদিন অবস্থান করে মাঠপর্যায়ের সমস্যা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, “এবার তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করতে হবে একদম ছাঁপরা ঘর বা গৃহহীন অসহায় মহিলাদের বাড়ি থেকে। পর্যায়ক্রমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নাম তালিকায় আনতে হবে। ভুলবশতও যেন শুরুতেই বিল্ডিং বা হাফ-বিল্ডিংয়ের অধিবাসীদের নাম না দেওয়া হয়। যদিও সরকারের প্যাকেজে প্রতিটি নাগরিকেরই কার্ড পাওয়ার অধিকার রয়েছে, তবে অগ্রাধিকার পাবে অসচ্ছল মানুষ।
তিনি আরও বলেন, “মাঠপর্যায়ের গাফিলতি সম্পর্কে বলা হয়েছিল, ঢাকা থেকে বলা হয়েছিল, তথ্য সংগ্রাহকেরা এমন বাড়িতে যান যেখানে বসে এক কাপ চা বা নুডুলস খাওয়া যায়। কিন্তু দরিদ্রের কুঁড়েঘরে বসতে পারবেন না বলে সেখানে যান না। এবার এই সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই। সর্বশেষ দরিদ্র ব্যক্তিটির কাছে আগে যেতে হবে।
"আমি নির্বাচনের আগেও পকেটে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ঘুরেছি এবং স্পষ্ট বলেছিলাম—কার্ড নিয়ে দুর্নীতি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেব। আজও সতর্ক করছি, এবারও ব্যত্যয় ঘটলে ছাড় দেওয়া হবে না, সোজা চৌদ্দ শিকের ভেতরে যেতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুম, নেত্রকোণা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ডেপুটি স্পিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!