📌 জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্নীতির শিকার হলে দুর্নীতিবাজদের সোজা চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ডে যেতে হবে
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে দুর্নীতির শিকার হলে দুর্নীতিবাজদের সোজা চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ডে যেতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিতে দুর্নীতির শিকার হলে দুর্নীতিবাজদের চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ড দিতে হবে।
- 📌 তিনি ২৭ সেপ্টেম্বর কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি-২০২৬ ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-২০২৬ বাস্তবায়নের সভায় এই সতর্কতা জানান।
- 📌 ২০২৬ সালের প্রথম পরীক্ষামূলক ফ্যামিলি কার্ড চালু করার সময় কলমাকান্দা উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, কিন্তু মাঠপর্যায়ে দুর্নীতির কারণে প্রধানমন্ত্রী সিস্টেম পরিবর্তন করেন।
- 📌 ডেপুটি স্পিকার বলেন, দরিদ্র ও অসহায় মহিলাদের বাড়ি থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করতে হবে এবং সুবিধাবঞ্চিতদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
- 📌 তিনি জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে বলেন, দুর্নীতির শিকার হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ব্যত্যয় ছাড় দেওয়া হবে না।
📰 বিস্তারিত
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়নে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, তিনি নির্বাচনের আগেও ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়েছিলেন। এবারও দুর্নীতির শিকার হলে দুর্নীতিবাজদের সোজা চৌদ্দ বছরের কারাদণ্ডে যেতে হবে।
২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি-২০২৬’ এবং ‘ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জরিপ-২০২৬’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ডেপুটি স্পিকার বলেন, পূর্বে একটি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত ব্যক্তিরা টাকার বিনিময়ে কাজ না করলেও তাদের সততার অভাব ছিল। ফলে তারা সঠিকভাবে কাজ করতে পারেননি। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনের সময় সুবিধা পাওয়ার কথা যাদের, তাদের না দিয়ে বিল্ডিংয়ে বসবাসকারী স্বচ্ছল ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কলমাকান্দা-দুর্গাপুরবাসীদের অত্যন্ত ভালোবাসেন বলে প্রথম ধাপে পরীক্ষামূলকভাবে ২-৩টি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড চালু হয়েছিল, তার মধ্যে কলমাকান্দাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রাহকদের অনিয়মের কারণে এই ভালোবাসার অপব্যবহার হয়েছিল। বিষয়টি ঢাকায় তুলে ধরার পর প্রধানমন্ত্রী তা আমলে নেন এবং তথ্য সংগ্রহের পুরো সিস্টেম পরিবর্তন করেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেংগুড়াতে এসে দুদিন অবস্থান করে মাঠপর্যায়ের সমস্যা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছেন।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এবার তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করতে হবে দরিদ্র ও অসহায় মহিলাদের বাড়ি থেকে। পর্যায়ক্রমে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, ভুলবশতও যেন শুরুতেই বিল্ডিং বা হাফ-বিল্ডিংয়ের অধিবাসীদের নাম না দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের প্যাকেজে প্রতিটি নাগরিকেরই কার্ড পাওয়ার অধিকার রয়েছে, তবে অগ্রাধিকার পাবে অসচ্ছল মানুষ। তিনি মাঠপর্যায়ের গাফিলতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ঢাকা থেকে বলা হয়েছিল, তথ্য সংগ্রাহকেরা এমন বাড়িতে যান যেখানে বসে এক কাপ চা বা নুডুলস খাওয়া যায়। কিন্তু দরিদ্রের কুঁড়েঘরে বসতে পারবেন না বলে সেখানে যান না। এবার এই সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই এবং সর্বশেষ দরিদ্র ব্যক্তিটির কাছে আগে যেতে হবে।
"আমি নির্বাচনের আগেও পকেটে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ঘুরেছি এবং স্পষ্ট বলেছিলাম—কার্ড নিয়ে দুর্নীতি করলে আইনগত ব্যবস্থা নেব। আজও সতর্ক করছি, এবারও ব্যত্যয় ঘটলে ছাড় দেওয়া হবে না, সোজা চৌদ্দ শিকের ভেতরে যেতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলমাকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুম, নেত্রকোণা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (ডেপুটি স্পিকার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬; ১৪ বছর (কারাদণ্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!