📌 শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন স্থায়ী আবাসন না থাকলে সরকারি চাকরি দেওয়া যাবে না এমন বিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ঝিনাইদহের মিশন আচার্যকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়ার পিছনে এই শর্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন স্থায়ী আবাসন না থাকলে সরকারি চাকরি দেওয়া যাবে না এমন বিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মিশন আচার্যকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়ার পিছনে এই শর্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মন্ত্রী মোবাইল ফোনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপকালে সংবিধানে এমন কোনো বিধান আছে কিনা তা জিজ্ঞাসা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিশন আচার্যকে ঝিনাইদহের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়ার পিছনে স্থায়ী আবাসন শর্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন।
- 📌 মন্ত্রী প্রশ্ন করেছেন, ‘কোন সংবিধানে লেখা আছে, আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না?’
- 📌 ১৮২ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেলেও মিশন আচার্যকে স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় নিয়োগ আটকে যায়।
- 📌 মিশন ঝিনাইদহের কলাবাগানে ভাড়া বাসায় বেড়ে ওঠা স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী, যিনি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মিশনের নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
মিশন আচার্যকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এ মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তার রোল নম্বর ৬৫১৫৩২৮। তবে স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় তার নিয়োগ আটকে যায়। পুলিশি যাচাইয়ে বর্তমান ঠিকানার তথ্য সঠিক পাওয়া গেলেও, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় অধিদপ্তর তার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।
মন্ত্রী মোবাইল ফোনে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তার সঙ্গে কথোপকথনে বলেছেন, ‘আবাসন না থাকলে আপনারা বানিয়ে দেবেন। কোন কনস্টিটিউশনে লেখা আছে, আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না?’ তিনি আরও জিজ্ঞাসা করেছেন, ‘স্থায়ী ঠিকানা নিয়োগের শর্ত হলে যাদের নিজস্ব জায়গা-জমি নেই, তাদের চাকরির সুযোগ কীভাবে থাকবে?’
মন্ত্রী জানতে চান, ‘দেশের ১৮ কোটি মানুষের আবাসন আছে? আপনি অধিদপ্তরের পাঠাবেন কেন? আমরা কি বলেছি যার আবাসন থাকবে না, সে সরকারি চাকরি পাবে না?’
মিশনের নিয়োগ আটকে দেওয়ার বিষয়ে অধিদপ্তরের মতামত চাওয়া হয়েছিল বলে কর্মকর্তা জানালে, মন্ত্রী মতামতের নথি কবে পাঠানো হয়েছে এবং সিদ্ধান্তের ভিত্তি কী, তা জানতে চান। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছে... মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’
"আবাসন না থাকলে আপনারা বানিয়ে দেবেন। কোন কনস্টিটিউশনে লেখা আছে, আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না?"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ সদর উপজেলা, কলাবাগান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিশন আচার্য, শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন, মো. রাশেদ খাঁন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ কোটি (দেশের জনসংখ্যা), ১৮২ জন (সুপারিশপ্রাপ্ত), ১৮০ জন (নিয়োগপত্র পেয়েছেন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!