📌 নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে আগামী জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশন জানুয়ারি চূড়ান্ত তারিখ হিসেবে বিবেচনা করছে, তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে জানা গেছে
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে আগামী জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শুরু হতে পারে। কমিশনের সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্ন না আসার জন্য পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নির্বাচন শুরু করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে কোনো চূড়ান্ত তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া সম্ভাব্য ইউপি নির্বাচন সময়সূচী বাতিল; পরীক্ষা শেষে নির্বাচন শুরু হবে বলে আশা
- 📌 ১৭ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সাথে আলোচনা করে ইসি নির্বাচন সময়সূচী নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়
- 📌 নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে মন্ত্রণালয় জানায়
- 📌 রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সহ গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচী বিবেচনা করে ইসি নির্বাচন সময় নির্ধারণ করবে
- 📌 আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ইসি কোনো চাপে সিদ্ধান্ত নেয় না; বাস্তবতা ও আইনের আলোকে নির্বাচন সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে
📰 বিস্তারিত
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় বিঘ্ন না আসার জন্য নির্বাচন সময়সূচীতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি জানান, ১২ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া সম্ভাব্য ইউপি নির্বাচন সময়সূচী বাস্তবতা বিবেচনা করে বাতিল করা হয়েছে। কারণ, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে বার্ষিক পরীক্ষা চলবে। এছাড়াও, বন্যার কারণে পিছিয়ে যাওয়া কিছু পরীক্ষার সমন্বয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠ্যসূচি শেষ করার বিষয়ও বিবেচনা করা হয়েছে।
আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, পরীক্ষার আগে আগে ব্যাপকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হলে শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর জন্য ইসি নির্বাচনের সময়সূচী পিছিয়ে দিতে চিন্তা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, রমজান, ঈদ, পূজা, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা—এগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এর মধ্যেই সবদিক বিবেচনায় রেখে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা যাবে বলে আশা করছে কমিশন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে নির্বাচন পেছাচ্ছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মোটেই না। তিনি জানান, ইসি সংবিধান ও আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করে না। বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর পড়ালেখার যাতে বিঘ্ন না হয়, সেটাই ইসির মূল উদ্দেশ্য।
"মোটেই না, ইসি সংবিধান ও আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করে না। বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ারুল ইসলাম সরকার (নির্বাচন কমিশনার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ নভেম্বর, ১৭ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!