📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুদকের নতুন অনুসন্ধান: বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ঘুষ ও প্রকল্প অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জড়িত ১৫০০ কোটি টাকার চক্র

দুদকের নতুন অনুসন্ধান: বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ঘুষ ও প্রকল্প অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জড়িত ১৫০০ কোটি টাকার চক্র

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার এবং সুফল প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নতুন অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযোগে জড়িত ১৫০০ কোটি টাকার প্রকল্পে বনায়নের বরাদ্দের অর্থ অপব্যবহার ও পদায়নে ঘুষের নির্ধারিত হার উল্লেখ করা হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পাখি আমদানির আড়ালে শত শত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে। বন বিভাগের বিভিন্ন পদায়নে ঘুষ নেওয়ার এবং সুফল প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নতুন অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার এবং প্রকল্প অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদক অনুসন্ধান শুরু করেছে।
  • 📌 পদায়নে ঘুষের নির্ধারিত হার: প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ, তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা।
  • 📌 সুফল প্রকল্পে ৫১০ হেক্টর বনায়নের বরাদ্দ থাকলেও মাত্র ১৬০ হেক্টরে চারা লাগানো হয়েছিল।
  • 📌 দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বলেছেন, অনুসন্ধান পর্যায়ে আটকে থাকা বিষয়গুলো দেখবে সংস্থাটি।
  • 📌 অভিযানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন বিভাগের বিভিন্ন রেঞ্জ ও চেকপোস্টে পদায়নের জন্য ঘুষের হার নির্ধারিত ছিল।

📰 বিস্তারিত

দুদকের অনুসন্ধান শুরু হয়েছে বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী, উপপ্রধান বন সংরক্ষক ও সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা ও অন্যান্য বিষয় অনুসন্ধান করা হবে।

২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের তথ্য পেয়েছে দুদক। তবে দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও বদলি-পদায়ন সংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান শেষ হয়নি। অভিযানের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন বিভাগের বিভিন্ন রেঞ্জ, চেকপোস্ট ও বিভাগীয় কার্যালয়ে পদায়নের জন্য পদভেদে ঘুষের হার নির্ধারিত ছিল।

অভিযানের তথ্য অনুযায়ী, দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদে পদায়নে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এক বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির চেকপোস্টে স্টেশন কর্মকর্তা পদে ২০ লাখ, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ ও তৃতীয় শ্রেণিতে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে।

বন অধিদপ্তরের দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নেওয়া এই প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জে বনায়ন ও নার্সারি সৃজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫১০ হেক্টর এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৬২ হেক্টর এলাকায় বনায়নের বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে যথাযথ বনায়ন করা হয়নি।

"নতুন কমিশন যোগ দিয়েছে অল্প কিছুদিন আগে। ফলে প্রতিটি বিষয়ে কমিশন নজরে রাখছে। ফলে অনুসন্ধান পর্যায়ে আটকে থাকা বিষয়গুলো দেখবে দুদক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কক্সবাজার (রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জ), ঢাকা (বন অধিদপ্তর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আমীর হোসাইন চৌধুরী, গোবিন্দ রায়, আকতারুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ লাখ টাকা, ৩০ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকা, ১৫ লাখ টাকা, ১০ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকা, ৫১০ হেক্টর, ৩৬২ হেক্টর, ১৬০ হেক্টর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖