📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের ঘটনায় পুলিশ তদন্তের নির্দেশ

মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের ঘটনায় পুলিশ তদন্তের নির্দেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকার ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে ভিডিও প্রকাশের পর আইনি তদন্তের দাবি উঠেছে

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে থাকার ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। ঘটনাস্থলে প্রকাশিত ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রী ও তার সহযোগীদের অস্ত্র হাতে থাকার চিত্র দেখা যায়, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান শফিকুল ইসলাম ঘোষণা করেছেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী অভিযানে অস্ত্র হাতে থাকার ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আইনি ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
  • 📌 ঘটনাস্থলে প্রতিমন্ত্রীর পাশে থাকা ব্যক্তিরা বলেছেন, 'একেবারে গুলি করে দেব' — যা আইনি প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
  • 📌 প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি গাড়ি থেকে নেমে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করেছেন।
  • 📌 ঘটনাস্থলে ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক পাভেল শিকদার। তিনি জানান, প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে গিয়েছিলেন।
  • 📌 প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেছেন, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ। তিনি বলেন, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি করার পর অস্ত্রটি নিয়েছিলেন।

📰 বিস্তারিত

গত শনিবার বিকেলে গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। ঘটনাস্থলে প্রকাশিত ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রী ও তার সহযোগীদের অস্ত্র হাতে থাকার চিত্র স্পষ্টভাবে দেখা যায়। ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রী চিৎকার করে বলেছেন, 'এই ধর ধর ধর...' এবং তার পাশের একজন ব্যক্তি বলেছেন, 'একেবারে গুলি করে দেব'। ঘটনাস্থলে প্রতিমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা একজন তরুণকে ধরতে দৌড়াচ্ছিলেন এবং একজন দেহরক্ষী তাকে লাথি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক পাভেল শিকদার জানান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক গতকাল বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে সেখানে গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজনের বারবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ পৌঁছাতে দেরি করে। প্রতিমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ এবং স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে গেন্ডারিয়া রেললাইন সংলগ্ন এলাকা।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, প্রতিমন্ত্রী অস্ত্র হাতে গাড়ি থেকে নামার পর তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা রেললাইনের পাশে অবস্থান করা কয়েকজনকে ধরতে এগিয়ে যান। এক যুবক বলেছেন, 'স্যার আমি কিছু করিনি। আমি গরিব মানুষ স্যার'। প্রতিমন্ত্রী তখন বলেছেন, 'পুলিশ আসবে তারপর কথা হবে'। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার দুই ব্যক্তিগত দেহরক্ষী তোফাজ্জল হোসেন ও লাভলু এবং একজন সরকারি দেহরক্ষী। ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের কাছেও অস্ত্র ছিল।

"আইনি ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে"

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের নীতিমালার ২৫ অনুচ্ছেদে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও ব্যবহারের শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। অনুচ্ছেদের ‘ক’ উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বৈধ অস্ত্র আত্মরক্ষার জন্য বহন বা ব্যবহার করা যাবে। তবে অন্যের ভীতি বা বিরক্তি উদ্রেক করে অস্ত্র প্রদর্শন করা যাবে না। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক বলেছেন, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ এবং নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হলফনামায় আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, অস্ত্রটি নিয়েছেন ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি করার পর।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন সংলগ্ন দয়াগঞ্জ এলাকা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, পাভেল শিকদার, শফিকুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (ঘটনার তারিখ), ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ (অস্ত্র গ্রহণের তারিখ), অনুচ্ছেদ ২৫ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖