📌 দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশা-বিরোধী ওষুধ কেনায় অনিয়ম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে। অভিযানে একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার ক্রয়াদেশ দেওয়া, সক্ষমতা যাচাই না করা এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ছাড়াই কীটনাশক বাছাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মশা-বিরোধী ওষুধ কেনায় অনিয়ম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে। অভিযানকালে দেখা গেছে, একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে এবং সরবরাহকারীদের সক্ষমতা যাচাই করা হয়নি। এছাড়াও, বাজারদর সংগ্রহের সময় দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দুদকের অভিযানে ডিএনসিসির মশা-বিরোধী ওষুধ কেনায় অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে
- 📌 একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে, সরবরাহকারীদের সক্ষমতা যাচাই করা হয়নি
- 📌 বাজারদর সংগ্রহের সময় দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেই তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে
- 📌 এডিস মশার ওপর কার্যকারিতা পরীক্ষা না করে কিউলেক্স মশার ওপর পরীক্ষার ভিত্তিতে কীটনাশক বাছাই করা হয়েছে
- 📌 বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে
- 📌 ময়লা সংগ্রহকারীদের সঙ্গে কোনো চুক্তি না থাকায় অতিরিক্ত বিল আদায়ের ঘটনা ঘটছে
📰 বিস্তারিত
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম বৃহস্পতিবার ডিএনসিসির ভান্ডার ও ক্রয় বিভাগে অভিযান চালায়। অভিযানকালে বিগত বছরগুলোতে মশা-বিরোধী ওষুধ কেনার নথিপত্র পর্যালোচনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, একই প্রতিষ্ঠানকে বারবার কীটনাশক সরবরাহের ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ে কোনো পরিদর্শন করা হয়নি। এছাড়াও, দরপত্রে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেই বাজারদর সংগ্রহ করে প্রাক্কলন তৈরির তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, এডিস মশার ওপর প্রয়োগ করে কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা না করে কিউলেক্স মশার ওপর প্রয়োগের পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতে কীটনাশক বাছাই করা হয়েছে। দীর্ঘদিন কীটনাশক ব্যবহারের ফলে এডিস মশার প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয়েছে কি না এবং কীটনাশকের কার্যকারিতা কতটা রয়েছে, তা যাচাইয়ে কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিও অনুসরণ করা হয়নি। এ বিষয়ে অধিকতর যাচাইয়ের জন্য অভিযানকালে কীটনাশকের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। ময়লা সংগ্রহের জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো অর্থ নির্ধারণ করা হয়নি। বর্জ্য সংগ্রহকারীদের সঙ্গে কোনো চুক্তি না থাকায় তাদের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণও নেই। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় ময়লা সংগ্রহের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণ অর্থ নেওয়া এবং অতিরিক্ত বিল আদায়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
"অভিযানে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা এবং রেকর্ডপত্র যাচাই করে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কমিশনে দেওয়া হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানজির আহমেদ (দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১টি প্রতিষ্ঠান বারবার ক্রয়াদেশ পেয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!