📌 ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সাফল্য মাপতে হবে নাগরিকের জন্য সেবার সহজলভ্যতা, দ্রুততা ও স্বচ্ছতা—not প্রযুক্তির সংখ্যা। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তি নাগরিককে সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করবে না, বরং সরকারি ব্যবস্থাই নাগরিকের সঙ্গে খাপ খাওয়াবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রশাসনকে দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে
বাংলাদেশের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, ডিজিটাল রূপান্তরের সাফল্য মাপা যাবে না শুধু প্রযুক্তির অগ্রগতির সংখ্যা দেখে। তিনি বলেছেন, সেবা অনলাইনে উপলব্ধ থাকলেও তা পুরোপুরি ডিজিটাল হয় না—মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকের জন্য সেবা কতটা সহজ, দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহজলভ্য করা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **ডিজিটাল সাফল্য মাপার মানদণ্ড**: নাগরিকের জন্য সেবার সহজলভ্যতা, দ্রুততা ও স্বচ্ছতা—not প্রযুক্তির সংখ্যা।
- 📌 **প্রযুক্তি নাগরিককে বাধ্য করবে না**: "প্রযুক্তি নাগরিককে সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাধ্য করবে না; বরং সরকারি ব্যবস্থাই নাগরিকের সঙ্গে খাপ খাওয়াবে" — মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
- 📌 **তিনটি সক্ষমতার উপর জোর**: সক্ষম প্রতিষ্ঠান (জবাবদিহি ও তথ্য সংযোগ), দক্ষ জনবল (প্রযুক্তি দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস) ও জনগণের আস্থা (সাইবার নিরাপত্তা ও সহজ অভিযোগ ব্যবস্থা)।
- 📌 **প্রধানমন্ত্রীর কথা**: "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়করণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের প্রশাসনকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে" — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- 📌 **কাগজভিত্তিক পদ্ধতি থেকে সেবা-প্রক্রিয়া পরিবর্তন**: সরকার কাগজভিত্তিক পদ্ধতিকে শুধু অনলাইনে তুলে দেওয়ার পরিবর্তে পুরো সেবা-প্রক্রিয়াকে নাগরিকের চাহিদা অনুযায়ী নতুন করে সাজাচ্ছে।
📰 বিস্তারিত
আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত ‘জাতিসংঘের শাসনব্যবস্থায় উদ্ভাবন সম্মেলন: ভবিষ্যৎ উপযোগী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের অষ্টম অধিবেশনে ফকির মাহবুব আনাম ‘শাসনব্যবস্থায় উদ্ভাবন ও আগাম পরিকল্পনাভিত্তিক প্রশাসনের প্রচলিত পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন। তিনি বলেন, শুধু প্রযুক্তি দিয়ে সরকারি প্রশাসনের পরিবর্তন সম্ভব নয়। সংযোগের ভিত্তি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতিই সংযোগকে জনকল্যাণে রূপ দেয়। নতুন প্রযুক্তি চালুর আগে সরকারকে সমস্যাটি বুঝতে হবে, বিদ্যমান প্রশাসনিক প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমাতে হবে, প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব স্পষ্ট করতে হবে এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সংস্কার ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন একসঙ্গে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি নিজেই প্রাতিষ্ঠানিক বাধা চিহ্নিত করে সংস্কার ত্বরান্বিত করতে পারে। অধিবেশনে বাংলাদেশের মন্ত্রী ছাড়াও লেসোথোর মন্ত্রী মোয়েকেতসি মোৎসোয়ানে, মৌরিতানিয়ার ব্রাহিম বুলখেইর এবং মেক্সিকোর ক্যারোলিনা প্লাটা লোপেজ অংশ নেন। আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের অধীন জনসেবা ও সামাজিক উদ্ভাবনবিষয়ক রাষ্ট্রীয় সংস্থার উপ-চেয়ারম্যান জেহুন সালমানভ অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন।
"কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়করণ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের প্রশাসনকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাকু, আজারবাইজান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফকির মাহবুব আনাম (মন্ত্রী), তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (সক্ষমতার সংখ্যা: প্রতিষ্ঠান, জনবল, আস্থা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!