📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৭ বছরের আইনি যুদ্ধ শেষ: ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চারলেন রেলপথের নির্মাণে আবার শুরু হবে কাজ

৭ বছরের আইনি যুদ্ধ শেষ: ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চারলেন রেলপথের নির্মাণে আবার শুরু হবে কাজ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ৭ বছর ধরে বন্ধ ছিল ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চারলেন রেলপথের নির্মাণ কাজ। আপিল বিভাগের আদেশে আইনি বাধা দূর হলে উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আবার শুরু হবে

৭ বছর ধরে বন্ধ ছিল ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং এর নিচ দিয়ে চারলেন রেলপথের নির্মাণ কাজ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আপিল বিভাগের আদেশে মগবাজার পিয়ারাবাগ এলাকায় এই প্রকল্পের জন্য জমি সংক্রান্ত আইনি জটিলতা সমাধান হলে উন্নয়ন কাজের পথ সুগম হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ বছর ধরে বন্ধ ছিল ঢাকার এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চারলেন রেলপথের নির্মাণ কাজ
  • 📌 ১৪ অক্টোবর আপিল বিভাগের আদেশে মগবাজার পিয়ারাবাগের জমি বিবাদ সমাধান
  • 📌 ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে রেলপথের জমি দাবি করে রিটকারী মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে রায় দিলেও পরবর্তীতে আপিল ট্রাইব্যুনাল রেলপথের পক্ষে রায় দিয়েছিল
  • 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে স্থিতাবস্থা জারি হলে কাজ আবার বন্ধ পড়ে
  • 📌 মো. রেজাউল হক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের আদেশে স্থিতাবস্থা আদেশ তুলে নেওয়া হয়
  • 📌 রুহুল কুদ্দুস কাজল অ্যাটর্নি জেনারেলের নিশ্চয়তা: উন্নয়ন কাজের পথ সুগম

📰 বিস্তারিত

মগবাজার পিয়ারাবাগের সামান্য জায়গায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং চারলেনের রেলপথ নির্মাণের কাজ ২০১৯ সাল থেকে বন্ধ ছিল। জমি সংক্রান্ত বিবাদে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং রিটকারী এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে আইনি যুদ্ধ চলছিল। বাংলাদেশ রেলওয়ে জমিটির মালিকানা দাবি করলেও রিটকারী তার মালিকানা দাবি করে আসছিলেন।

২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে রায় আসলে তিনি জয়ী হন। কিন্তু পরবর্তীতে গঠিত ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল ২০২৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর রেলপথের পক্ষে রায় দিলে মামলা আবার হাইকোর্টে চলে যায়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে স্থিতাবস্থা জারি হলে উন্নয়ন কাজের কাজ আবার বন্ধ পড়ে।

রাষ্ট্রপক্ষ, রেলপথ মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস পিটিশন দায়ের করা হয়। অবকাশকালীন বিচারপতির বিশেষ অনুমতিতে আয়োজিত শুনানি শেষে আপিল বিভাগের আদালত হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ তুলে নেন। ফলে এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথের বাকি কাজ নিশ্চিন্তে এগিয়ে নিতে আর কোনো আইনি বাধা রইল না।

"আপিল বিভাগের আদেশে স্থিতাবস্থা আদেশ তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন উন্নয়ন কাজের পথ সুগম হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, মগবাজার পিয়ারাবাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজাউল হক (বিচারপতি), রুহুল কুদ্দুস কাজল (অ্যাটর্নি জেনারেল), এম মোস্তাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ১৪ অক্টোবর, ২ সেপ্টেম্বর, ২৮ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖