📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রাম সেনানিবাসে জাল পেনশন বিলে ১ কোটি টাকার চোরাচালান: সাতজন পেনশনভোগী না হলেও পেয়েছেন অতিরিক্ত টাকা

চট্টগ্রাম সেনানিবাসে জাল পেনশন বিলে ১ কোটি টাকার চোরাচালান: সাতজন পেনশনভোগী না হলেও পেয়েছেন অতিরিক্ত টাকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসের ফিল্ড পে কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জাল পেনশন বিল তৈরি করে সাতজন পেনশনভোগী না হলেও তাদের নামে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন। এ ঘটনায় সাবেক অডিট কর্মকর্তা বিথীন কুমার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে

চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসের ফিল্ড পে কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জাল পেনশন বিল তৈরি করে সাতজন পেনশনভোগী না হলেও তাদের নামে ১ কোটি ২ লাখ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামের ফিল্ড পে কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ১ কোটি ২ লাখ টাকা জাল পেনশন বিলে সরিয়ে নিয়েছেন।
  • 📌 সাতজন পেনশনভোগী না হলেও তাদের নামে অতিরিক্ত টাকা পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে একজন পেনশনভোগীও নন।
  • 📌 সাবেক অডিট কর্মকর্তা বিথীন কুমার আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড নিয়ন্ত্রণ করে টাকা সরিয়েছেন।
  • 📌 ৬ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ঢাকা সেনানিবাসের সিসিডিএফ কার্যালয়ে ৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা জাল পেনশন বিলে সরানো হয়েছিল।
  • 📌 চট্টগ্রামের ফিল্ড পে কার্যালয়ের প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাসের ফিল্ড পে কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জাল পেনশন বিল তৈরি করে সাতজন পেনশনভোগী না হলেও তাদের নামে ১ কোটি ২ লাখ ৪২ হাজার ৬০৪ টাকা সরিয়ে নিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় সাবেক অডিট কর্মকর্তা বিথীন কুমার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য শাহাদাত হোসেনের ছেলে সিহাব হোসেন পেনশনভোগী না হলেও বকেয়া পেনশনের নামে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা পেয়েছেন। এছাড়াও সেনাবাহিনীর আরও ছয় অবসরপ্রাপ্ত সদস্যের নামে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে সার্জেন্ট মাসুদ রানার ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৩১ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে।

সেনাবাহিনীর আরও ছয় অবসরপ্রাপ্ত সদস্যের নামে অতিরিক্ত অর্থ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে সার্জেন্ট আবুল নাহার খানের হিসাবে প্রায় সাড়ে ২২ লাখ, করপোরাল মো. বদরুজ্জামানের হিসাবে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ, হাবিলদার লুৎফর রহমানের হিসাবে প্রায় ১৪ লাখ, সার্জেন্ট নাছিমা আলীর হিসাবে ১০ লাখ ১১ হাজার, ল্যান্স করপোরাল রুখুন উদ্দিন খানের হিসাবে ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছে।

সিহাব হোসেন প্রথম আলোর কাছে জানান, বিথীন কুমার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর বাবা শাহাদাত হোসেনের বকেয়া পেনশনের কথা বলে অতিরিক্ত টাকা পাঠান। এরই মধ্যে তিনি ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে টাকা ফেরত দিয়েছেন।

"বিথীন কুমার তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর বাবা শাহাদাত হোসেনের বকেয়া পেনশনের কথা বলে অতিরিক্ত টাকা পাঠান।"

চট্টগ্রামের ফিল্ড পে কার্যালয়ের (আর্টিলারি) কর্মকর্তারা দুজন পেনশনের নথি থেকে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতেন। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বকেয়া পেনশন হিসেবে অতিরিক্ত টাকা পাঠানো হতো। এ ঘটনায় ১০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের প্রধান হিসাব কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের হালিশহর সেনানিবাস, ফিল্ড পে কার্যালয় (আর্টিলারি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিহাব হোসেন, বিথীন কুমার, আলমগীর হোসেন, সার্জেন্ট মাসুদ রানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ২ লাখ ৪২ হাজার ৬০৪ টাকা, ৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖