📌 পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করার পর বিটিআরসির চার উপপরিচালককে 'কমিশনের স্বার্থের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত' থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি চালানো হচ্ছে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) চারজন উপপরিচালককে 'কমিশনের স্বার্থের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত' থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। গতকাল রোববার পৃথক চারটি চিঠিতে এই নোটিশ প্রদান করা হয়। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দাবি, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি চালানো হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিটিআরসি চারজন উপপরিচালককে 'কমিশনের স্বার্থের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত' থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
- 📌 অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে সনজিব কুমার সিংহ, এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান ও আহসানুল হাবীব।
- 📌 কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ চলছে।
- 📌 বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
- 📌 নোটিশে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব না দেওয়ায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- 📌 গত ২৮ সেপ্টেম্বর সনজিব কুমার সিংহকে ওএসডি করা হয় এবং তার কক্ষ সিলগালা করা হয়।
- 📌 ২৩ এপ্রিল ও ৯ জুন আদালত দুজন কর্মকর্তার বদলি আদেশ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
📰 বিস্তারিত
বিটিআরসির চারজন উপপরিচালককে 'কমিশনের স্বার্থের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত' থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার পৃথক চারটি চিঠিতে এই নোটিশ প্রদান করা হয়। নোটিশে সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দেওয়া হয়, তাহলে তাদের কোনো জবাব নেই বলে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে সনজিব কুমার সিংহ, এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান ও আহসানুল হাবীব। কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করার পর থেকে তাদের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরণ চলছে। তারা দাবি করেন, কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করার কারণে এই হয়রানি চালানো হচ্ছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারীকে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। খুদে বার্তা পাঠানো হলেও সাড়া দেননি। পরে বিটিআরসির জনসংযোগ উপপরিচালক আবদুস শাহীদ চৌধুরীকে লিখিত প্রশ্ন পাঠালে তিনি বলেন, ‘আমাকে প্রথমে চেয়ারম্যানের পিএস এর কাছ থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়া হয়। অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেলে তখন চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে পারি। আমার তো দেখা করার সুযোগ নেই।’
গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে কমিশন কার্যালয়ে উপপরিচালক সনজিব কুমার সিংহের কক্ষে যান চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। সনজিব কুমার সিংহের কথায়, স্যার আচমকা রুমে প্রবেশ করেন এবং জিজ্ঞাসা করেন, ‘আমরা কী করছি, কী নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে?’ এরপর বলেন, ‘আমরা ষড়যন্ত্র করছি।’ সনজিব কুমার সিংহের কথায়, স্যার তৎক্ষণিক রুম সিলগালা করারও আদেশ দেন। ওই দিন বিকেলেই সনজিব কুমার সিংহকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরদিন তাঁর কক্ষ সিলগালা করা হয় এবং অন্য তিন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
"লাঞ্চে যাওয়ার জন্য আমরা একসঙ্গে ছিলাম। স্যার আচমকা রুমে প্রবেশ করেন। কক্ষে আমরা কী করছি, কী নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তা জানতে চান। এরপর বলেন আমরা ষড়যন্ত্র করছি। তাৎক্ষণিক রুম সিলগালা করারও আদেশ দিয়ে যান।"
২৩ এপ্রিল ও ৯ জুন আদালত দুজন কর্মকর্তার বদলি আদেশ স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তবে বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট করার পর থেকেই তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে। সনজিব কুমার সিংহ বলেন, নোটিশে যেসব কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কোনো কিছুর সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনজিব কুমার সিংহ, এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান, আহসানুল হাবীব, এমদাদ উল বারী, আবদুস শাহীদ চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২৩ এপ্রিল, ৯ জুন, ৪ জন কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!