📌 বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো. নূর-ই-আলম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় বারবার প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ৩৮ মাস দায়িত্বহীন অবস্থায় রাখা হয়েও তিনি বিভিন্ন ডিপোতে অর্থনৈতিক ঘাটতি কাটিয়ে লাভজনক করার রেকর্ড গড়েছেন
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তা মো. নূর-ই-আলম রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকায় বারবার প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, একটি অসাধু চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য ছড়াচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিআরটিসির কর্মকর্তা মো. নূর-ই-আলম ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত **৩৮ মাস** দায়িত্বহীন অবস্থায় রাখা হয়, যদিও তাঁর দায়িত্ব ছিল ব্যবস্থাপক (সচিব) হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- 📌 নূর-ই-আলমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উঠেছে — **শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল না দেওয়া** এবং **ঢাকার সিটি নির্বাচনে** তাঁর দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রে বিরোধী দলের বেশি ভোট পাওয়ার অজুহাতে তাঁকে লক্ষ্য করা হয়।
- 📌 **২০১৮ ও ২০২২ সালে** জোয়ার সাহারা ডিপোতে তীব্র অসন্তোষ ও আর্থিক অনিয়মের সময়েও নূর-ই-আলম দায়িত্ব পেয়েছিলেন এবং স্বল্প সময়ে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করে কার্যক্রম স্বাভাবিক করে তোলেন।
- 📌 নূর-ই-আলমের দায়িত্বে থাকা **মোহাম্মদপুর ডিপো**তে ৫৩ লাখ টাকার বেতন বকেয়া ছিল, যা তিনি দ্রুত পরিশোধ করেন। কল্যাণপুর ডিপোতে **২০২১ সালে ৫ কোটি টাকার ঘাটতি** নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া হয়েও, **২০২৩ সালে ৭ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত** রেখে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
- 📌 গাজীপুর ডিপোতে **৬৮ লাখ টাকার বকেয়া বেতন** পরিশোধ করেন এবং সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে সরকারের **২৪ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ (ডিএসএল)** পরিশোধে ভূমিকা রাখেন।
- 📌 নূর-ই-আলমের বিরুদ্ধে **অপপ্রচারকারীরা** ফোনে অর্থ দাবি করছে এবং তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
বিআরটিসির কর্মকর্তা মো. নূর-ই-আলমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, একটি অসাধু চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে মনগড়া তথ্য ছড়াচ্ছে। নূর-ই-আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাবে তিনি বলেছেন, “অভিযোগ ওঠা আর প্রমাণিত হওয়া এক নয়। কোনো চূড়ান্ত তদন্ত ছাড়াই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
নূর-ই-আলমের দায়িত্বে থাকা ডিপোগুলোতে অর্থনৈতিক ঘাটতি কাটিয়ে লাভজনক করার রেকর্ড রয়েছে। মোহাম্মদপুর ডিপোতে দায়িত্ব নেওয়ার সময় ৫৩ লাখ টাকার বেতন বকেয়া ছিল, যা তিনি দ্রুত পরিশোধ করেন। কল্যাণপুর ডিপোতে ২০২১ সালে ৫ কোটি টাকার ঘাটতি নিয়ে দায়িত্ব নেওয়া হয়েও, ২০২৩ সালে দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় ৭ কোটি টাকার উদ্বৃত্ত রেখে যান। জোয়ার সাহারা ডিপোতে ২০১৮ ও ২০২২ সালে তীব্র অসন্তোষ ও আর্থিক অনিয়মের সময়েও তিনি দায়িত্ব পেয়েছিলেন এবং স্বল্প সময়ে বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনেন।
গাজীপুর ডিপোতে নূর-ই-আলম **৬৮ লাখ টাকার বকেয়া বেতন** পরিশোধ করেন। এছাড়া সিলেট ডিপোতে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সরকারের প্রায় **২৪ লাখ টাকা বৈদেশিক ঋণ (ডিএসএল)** পরিশোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
"নূর-ই-আলম একজন দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা। অন্যায়ের সাথে আপস না করায় অসাধু চক্র তাঁর ক্ষতি করতে উঠেপড়ে লেগেছে।"
বিআরটিসির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “যে কজন সৎ ম্যানেজারের অধীনে কাজ করেছি, তিনি তাঁদের অন্যতম। এমন কর্মকর্তা আমাদের জন্য গর্বের।” নূর-ই-আলম বলেন, “আমি কাজকে ইবাদত মনে করি। যেখানেই দায়িত্ব পেয়েছি, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।”
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কল্যাণপুর, মোহাম্মদপুর, জোয়ার সাহারা, গাজীপুর, সিলেট, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নূর-ই-আলম, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, অপপ্রচারকারীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ মাস, ৫৩ লাখ টাকা, ৫ কোটি টাকা, ৭ কোটি টাকা, ৬৮ লাখ টাকা, ২৪ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!