📌 জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটিতে বসুন্ধরা এলাকার জমি কেনাবেচা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যরা জানতে চেয়েছেন কেন সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে বসুন্ধরা এলাকার জমি কেনাবেচা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সদস্যরা জানতে চেয়েছেন কেন এই এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। বসুন্ধরা এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে বসুন্ধরার নিজস্ব লোকজন এবং জমি কেনাবেচার অনুমতি দেওয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে কমিশন দিতে হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বসুন্ধরা এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে বসুন্ধরা গ্রুপের নিজস্ব লোকজন, জমি কেনাবেচায় তাদের কমিশন দিতে হয়
- 📌 সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় বসুন্ধরা গ্রুপের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংসদ কমিটিতে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 খোন্দকার আবু আশফাক বলেন, বসুন্ধরা এলাকায় ‘আলাদা রাজত্ব’ গড়ে উঠেছে, জমি বিক্রি ও ড্রেন নির্মাণে তাদের ছাড়া কাজ সম্ভব নয়
- 📌 ২০০১-০৬ সালের পূর্বাচল প্রকল্পে বাতিলকৃত প্লটের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে আলোচনা হয়
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকায় আর নতুন প্লট বরাদ্দ দেওয়া যাবে না, অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণে ফ্ল্যাট দেওয়া যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে বসুন্ধরা এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কমিটির সদস্যরা জানতে চেয়েছেন যে, বসুন্ধরা এলাকায় কার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং কীভাবে জমি কেনাবেচার অনুমতি দেওয়া হয়। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানিয়েছে যে, কাগজে-কলমে এলাকাটি সিটি করপোরেশনের আওতাধীন, তবে এখনো সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সেখানে নেই।
কমিটির সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক প্রথম আলোকে বলেন, ‘বসুন্ধরাকে নিয়ে অনেকের অভিযোগ রয়েছে। তারা সেখানে আলাদা রাজত্ব গড়ে তুলেছে। জমি বিক্রি করতে হলে তাদের নাকি টাকা দিতে হয়। ড্রেন নির্মাণ, ডিশ লাইন দেওয়া এসব কাজও তাদের ছাড়া করা যায় না।’ তিনি কমিটির বৈঠকে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন বলে জানানো হয়।
বৈঠকে আলোচিত হয় ২০০১-০৬ সালের পূর্বাচল প্রকল্পে বাতিলকৃত প্লটের ক্ষতিপূরণ বিষয়েও। কমিটি জানতে চেয়েছিল যে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকায় আর নতুন প্লট বরাদ্দ দেওয়া যাবে না, তবে অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণে ফ্ল্যাট দেওয়া যেতে পারে। কমিটি সুপারিশ করেছে পূর্বাচল প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত প্লট নিশ্চিত করা এবং অতীতে সংঘটিত অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া।
"বসুন্ধরাকে নিয়ে অনেকের অনেক অভিযোগ। তারা সেখানে আলাদা রাজত্ব, আলাদা প্রশাসন গড়ে তুলেছে। তারা হোল্ডিং কর নেয়, সেখানে জমি বিক্রি করতে হলে নাকি কাঠাপ্রতি বসুন্ধরাকে টাকা দিতে হয়। ড্রেন নির্মাণ, ডিশ লাইন দেওয়া এসব কাজও তাদের ছাড়া করা যায় না।"
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির। বৈঠকে অংশ নেন হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বসুন্ধরা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খোন্দকার আবু আশফাক, নূরুল ইসলাম মনির, রাজউকের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০১-০৬ (পূর্বাচল প্রকল্পের প্লট বাতিলের সাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!