📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিশ্বরেকর্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ: দুই বছর ধরে তথ্য কমিশন না থাকায় আইন লঙ্ঘনের দায়ে সরকারের মুখোমুখি জনগণ

বিশ্বরেকর্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ: দুই বছর ধরে তথ্য কমিশন না থাকায় আইন লঙ্ঘনের দায়ে সরকারের মুখোমুখি জনগণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ দুই বছর দুই মাস ধরে তথ্য কমিশন গঠন না করায় বিশ্বের অন্যতম বিব্রতকর রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান জানান, আইন লঙ্ঘনের কারণে জনগণ তথ্য অধিকার পেতে ব্যর্থ হচ্ছে

বাংলাদেশ দুই বছর দুই মাস ধরে তথ্য কমিশন গঠন না করায় বিশ্বের অন্যতম বিব্রতকর রেকর্ডের মুখোমুখি হয়েছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও তথ্য কমিশন গঠন না করার কারণে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের তুলনায় সর্বাধিক দীর্ঘ সময় এই কমিশন ছাড়াই বসবাস করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **বিশ্বরেকর্ড**: বাংলাদেশ দুই বছর দুই মাস ধরে তথ্য কমিশন গঠন না করায় পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের তুলনায় সর্বাধিক দীর্ঘ সময় এই কমিশন ছাড়াই বসবাস করছে
  • 📌 **আইন লঙ্ঘন**: আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকারও দায়িত্ব নেওয়ার পর সাত মাস পার করেছে তথ্য কমিশন গঠন না করে
  • 📌 **স্বাধীনতা চাহিদা**: ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তথ্য কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে এবং দলীয় বিবেচনা ছাড়াই যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সদস্য নিয়োগ করা উচিত
  • 📌 **তথ্য অধিকার সচেতনতা**: ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তথ্য চেয়ে আবেদনের হার বেড়েছে, কিন্তু আবেদন গ্রহণের স্বীকৃতি পাওয়ার হার ৭৫.৪ শতাংশ থেকে কমে ৪৩.৮ শতাংশে নেমেছে
  • 📌 **অপতথ্য ও তথ্য অধিকার আলাদা**: তথ্য অধিকার আইন সংশোধনের নামে অপতথ্য ঠেকানোর বিষয় যুক্ত করা যাবে না, কারণ তথ্য অধিকার ও অপতথ্য দুটি আলাদা বিষয়

📰 বিস্তারিত

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে দ্য ডেইলি স্টার সেন্টারে আয়োজিত তথ্য অধিকার সম্মেলনে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও তথ্য কমিশন গঠনের জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাধারণ মানুষ আইন ভাঙলে বিচার ও শাস্তির মুখোমুখি হয়। কিন্তু সরকার আইন লঙ্ঘন করলে তখন কী হবে। তিনি দাবি করেন, তথ্য কমিশন গঠিত হলে তা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে এবং দলীয় বিবেচনা ছাড়াই যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সদস্য নিয়োগ করা উচিত।

তথ্য অধিকার জরিপ ২০২৬–এর ফলাফল উপস্থাপন করেন জরিপের প্রধান গবেষক অনন্য রায়হান। তিনি জানান, ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ছয় বছরে তথ্য অধিকার সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতনতা কিছুটা বেড়েছে। তথ্য চেয়ে আবেদনের হারও আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। তবে নাগরিকেরা তথ্য চেয়ে আবেদন করার পর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন গ্রহণের স্বীকৃতি পাওয়ার হার ২০১৯ সালের ৭৫ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে কমে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশে নেমেছে। পাশাপাশি তথ্য পাওয়ার ইতিবাচক অভিজ্ঞতা, আইনগত সময়সীমা সম্পর্কে নাগরিকদের জ্ঞান ও ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার হার নিম্নগামী হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, ভয় ও প্রতিশোধের আশঙ্কায় অনেকে তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করেন না। বিশেষ করে দরিদ্র, প্রান্তিক ও ক্ষমতাহীন মানুষের জন্য ঝুঁকি বেশি। তিনি দাবি করেন, এনজিওগুলোর ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা স্বচ্ছ না হলে তথ্য প্রকাশে অনীহা তৈরি হয়। তাই প্রশিক্ষণহীন তথ্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

"আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে দুই বছর দুই মাস ধরে তথ্য কমিশন নেই। বর্তমান সরকারও দায়িত্ব নেওয়ার পর সাত মাস পার করেছে। এখনো কমিশন গঠন হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ফার্মগেট, রাজধানী)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইফতেখারুজ্জামান (টিআইবি নির্বাহী পরিচালক), অনন্য রায়হান (জরিপ গবেষক), সারা হোসেন (সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৫.৪%, ৪৩.৮%, ১০%, ৭২%, ১৭ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖