📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও, ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি
সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাকে আগামীকালের মূল অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনীকে আরও দক্ষ, পেশাদার ও প্রযুক্তিনির্ভরভাবে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে সরকার কাজ করছে। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা** বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- 📌 **সশস্ত্র বাহিনীকে দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর** করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
- 📌 **১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চের** স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 **৭টি ইউনিটকে** (৭ ফিল্ড, ৩২ ফিল্ড, ২৫ এয়ার ডিফেন্স, ৯ ইন্জিনিয়ারিং, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল, ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল ও প্রেসিডেন্ট গার্ড) জাতীয় পতাকা প্রদান করেছেন তিনি।
- 📌 **‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি** বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
- 📌 **অভ্যন্তরীণভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন** জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সাভার সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদান ও আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে বেড়ে উঠা তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে দেখেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তিনি জানান, অভ্যন্তরীণভাবে গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের উদ্যোগ জোরদার করা হয়েছে। এছাড়াও, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে, গুরুত্বপূর্ণ অপারেশন, সন্ত্রাস দমন ও শান্তিরক্ষা মিশনসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাত ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন তিনি। এ ইউনিটগুলো হলো: ৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এয়ার ডিফেন্স রেজিমেন্ট, ৯ ইন্জিনিয়ারিং ব্যাটালিয়ান, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট।
"জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার সেনানিবাস, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭টি ইউনিট (৭, ৩২, ২৫, ৯, ৫৬, ৫৭, প্রেসিডেন্ট গার্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!