📅 ২১ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৩ বছরের বিআরটি প্রকল্প বাতিল: গাজীপুর-ঢাকা করিডরে ছয় লেনের মহাসড়ক গড়ে তোলা হবে

১৩ বছরের বিআরটি প্রকল্প বাতিল: গাজীপুর-ঢাকা করিডরে ছয় লেনের মহাসড়ক গড়ে তোলা হবে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুর থেকে ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটি প্রকল্প বাতিল করে ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ১৩ বছরের দীর্ঘ সময়ে প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে ৬ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। স্টেশন ও লেন বিভাজক সরিয়ে ফেলা হবে এবং দুটি ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করা হবে

১৩ বছরের দীর্ঘ সময় ধরে চলা ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করে সরকার গাজীপুরের শিববাড়ি থেকে রাজধানী ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পের অবকাঠামো অপসারণ, স্টেশন ও লেন বিভাজক সরিয়ে ফেলা এবং দুটি ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও, বিআরটি প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ঢাকা বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি বন্ধ করে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) আওতায় আনতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩ বছরের বিআরটি প্রকল্প বাতিল: গাজীপুর থেকে ঢাকার বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটি অবকাঠামো সরিয়ে ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
  • 📌 স্টেশন ও লেন বিভাজক সরানো হবে: বিআরটি করিডরের স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে দুই দিকে তিনটি করে মোট ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক গড়ে তোলা হবে।
  • 📌 দুটি ওভারপাস চার লেনে উন্নীত: প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি দুই লেনের ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করা হবে।
  • 📌 বিআরটি পিএলসি বন্ধ, সওজের আওতায়: ঢাকা বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট পিএলসি বন্ধ করে এর কার্যক্রম সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় নেওয়া হবে।
  • 📌 প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ: প্রাথমিক ব্যয় ২ হাজার ৩৯ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৬ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
  • 📌 ১৮ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত: গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • 📌 ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন: সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের শিববাড়ি থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রায় ২০.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বিআরটি প্রকল্পের অবকাঠামো অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি ২০১২ সালের নভেম্বরে অনুমোদিত হয়েছিল এবং প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৩৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। তবে দীর্ঘদিনের দেরি ও জটিলতায় প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে ৬ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

গত ১৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরদিন, ১৯ অক্টোবর সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটি শাখার উপসচিব তাসলিমা আহমেদ পলি সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, বিআরটি করিডরের স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়ক করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়াও, দুটি দুই লেনের ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করার কাজ শুরু করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানান, তবে বিআরটি প্রকল্পের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে আলোচনা করা হয়নি। প্রকল্পের দীর্ঘ সময় ধরে চলা কারণে গাজীপুর, টঙ্গী ও বিমানবন্দর এলাকায় দীর্ঘদিন যানজট ও জনভোগান্তি ছিল। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ছিল দ্রুত গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, কিন্তু তা পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হয়নি।

"বিআরটি করিডরের স্টেশন ও লেন বিভাজক অপসারণ করে দুই দিকে তিনটি করে মোট ছয় লেনের সাধারণ মহাসড়কে রূপান্তর করা সমীচীন। এ ছাড়া দুটি দুই লেনের ওভারপাস চার লেনে উন্নীত করার কার্যক্রম নেওয়া যেতে পারে।"

সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। তবে প্রকল্পের অবকাঠামো অপসারণ, ওভারপাস সম্প্রসারণ এবং আইনি জটিলতা নিরসনের সময়সীমা নির্দিষ্ট করা হয়নি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা-গাজীপুর করিডর (শিববাড়ি থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তাসলিমা আহমেদ (উপসচিব), নাসিমুল গণি (মন্ত্রিপরিষদ সচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর (প্রকল্পের সময়কাল), ৬ হাজার ৫৯৭ কোটি টাকা (ব্যয়), ২০.৫ কিলোমিটার (মহাসড়কের দৈর্ঘ্য)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖