📌 ঢাকার আশুলিয়ায় প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের জমিতে কাঁচামালের আড়ত নির্মাণের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি মোস্তফা জামানসহ বিএনপি নেতাদের জড়িত থাকার কথা জানা গেছে। সরকারকে দ্রুত তদন্তের আহ্বান জানানো হয়েছে
ঢাকার আশুলিয়ায় প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের জমিতে কাঁচামালের আড়ত নির্মাণের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাবের সন্দেহ উঠেছে। স্থানীয় মানুষের আশা ছিল এই জমিতে চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, কিন্তু বর্তমানে সীমানা ভেঙে দোকান নির্মাণ ও ভাড়া দেওয়ার বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়মের পেছনে বিএনপি নেতা মোস্তফা জামানসহ রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার আশুলিয়ায় প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজের জমিতে কাঁচামালের আড়ত নির্মাণ শুরু হয়েছে, যা স্থানীয়দের আশা ভঙ্গ করেছে
- 📌 ১৬৪ শতাংশ জমি ২০১০ সালে স্কুলের নামে হস্তান্তর করা হলেও, মাসে ১৬ লাখ টাকা ভাড়ায় জমি ভাড়া দেওয়ার শর্তে প্রশ্ন উঠেছে
- 📌 স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোস্তফা জামানসহ রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগে নির্মাণকারীরা নিজেদের কাজটিকে ‘রাজনৈতিক কাজ’ বলে স্বীকার করেছেন
- 📌 স্থানীয় বিএনপি নেতাদের আহ্বান ও কর্মীদের উপস্থিতি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে
- 📌 সরকারকে জমির দলিল, হস্তান্তর শর্ত, ভাড়ার চুক্তি পরীক্ষা করে নির্মাণ বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৬৪ শতাংশ জমি ২০১০ সালে প্রস্তাবিত উত্তরা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নামে হস্তান্তর করা হয়েছিল। ভূমি কার্যালয়ের রেকর্ডেও এখনো জমিটি স্কুলের নামে রয়েছে। তবে, স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিএনপি নেতা মোস্তফা জামানসহ তাদের অনুসারীরা জমি ভাড়া দেওয়ার মাধ্যমে আড়ত নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিজেই কাজটিকে ‘রাজনৈতিক কাজ’ বলে স্বীকার করেছেন এবং সবাইকে নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা জানিয়েছেন।
এই জমিতে আগে ট্রাকস্ট্যান্ড বসানোর কথাও একজন বিএনপি নেতা স্বীকার করেছেন, যা সমালোচনার মুখে সরানো হলেও এবার আড়ত নির্মাণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি নেতাদের প্রকাশ্য আহ্বান ও কর্মীদের উপস্থিতি রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়টি আরও স্পষ্ট করেছে। অধ্যক্ষকে জমি ভাড়ায় সম্মতি দেওয়ার শর্তে কর্মস্থলে ফিরতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বাধীনতার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, জমির দলিল, হস্তান্তরের শর্ত, ভাড়ার দরপত্র ও চুক্তি পরীক্ষা করে নির্মাণ এবং দোকান বরাদ্দ বন্ধ রাখা প্রয়োজন। ভাড়ার অর্থ কোথায় জমা হচ্ছে, কারা সুবিধাভোগী এবং প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বার্থের সংঘাত ঘটেছে কি না, তা প্রকাশ করতে হবে। অনিয়ম পাওয়া গেলে চুক্তি বাতিল করতে হবে।
"ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পদের নিয়ন্ত্রণ বদলাবে, কিন্তু জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না—এমন বাস্তবতা গ্রহণযোগ্য নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আশুলিয়া, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তফা জামান (স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি ও বিএনপি নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪ শতাংশ জমি, মাসে ১৬ লাখ টাকা ভাড়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!