📌 বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘোষণা করেছেন, দেশের সব বিমানবন্দরে ভিআইপি থেকে সাধারণ যাত্রী পর্যন্ত নিরাপত্তা প্রটোকল সমানভাবে প্রয়োগ হবে। তিনি বলেছেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন ও আইসিএও অডিটের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে
বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সোমবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুষ্ঠিত ‘এয়ারপোর্ট ফায়ার ইমার্জেন্সি এক্সারসাইজ ২০২৬’ মহড়া পরিদর্শন শেষে ঘোষণা করেন, দেশের সব বিমানবন্দরে ভিআইপি থেকে সাধারণ যাত্রী পর্যন্ত নিরাপত্তা প্রটোকল সমানভাবে প্রয়োগ করা হবে। তিনি বলেন, বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সমানভাবে নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘোষণা করেন, ভিআইপি থেকে সাধারণ যাত্রী পর্যন্ত বিমানবন্দরে নিরাপত্তা প্রটোকল সমান হবে
- 📌 বিমানবন্দর এলাকায় অনুমোদনহীন ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
- 📌 দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘ন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটি কমিটি’ গঠন করা হয়েছে এবং শিগগিরই আইসিএও অডিট অনুষ্ঠিত হবে
- 📌 মন্ত্রী বলেন, ‘জিরো কম্প্রোমাইজ অন অ্যাভিয়েশন সেইফটি’ হবে সরকারের লক্ষ্য
- 📌 মহড়ায় কল্পিত পরিস্থিতিতে ব্যাংকক থেকে ঢাকাগামী ৯৮ যাত্রী ও পাঁচ ক্রুবাহী উড়োজাহাজে আগুন ও কারিগরি ত্রুটির পর জরুরি প্রতিক্রিয়া অনুশীলন করা হয়
📰 বিস্তারিত
বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানবন্দর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হওয়ায় এর নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও স্ক্যানার পর্যাপ্ত পরিমাণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের অক্টোবরে বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং এতে দেশের ভাবমূর্তির ওপর প্রভাব পড়েছিল।
মহড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের মহড়া নিয়মিত করা প্রয়োজন হলেও বাস্তবে দুর্ঘটনা না ঘটে সেটিই তাঁর প্রত্যাশা। তিনি জানান, বিমানবন্দরের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রথম কয়েক মিনিট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় রেসপন্স টাইম আরও কমিয়ে আনতে হবে।
মহড়ায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার। সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। মহড়ায় বেবিচক, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, এপিবিএন, ট্রাফিক উত্তরা বিভাগ, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার সদস্যরা অংশ নেন।
"আমাদের লক্ষ্য হতে হবে জিরো কম্প্রোমাইজ অন অ্যাভিয়েশন সেইফটি। বিমানবন্দর রাষ্ট্রের কেপিআইভুক্ত এলাকা। তাই বিমানবন্দর এলাকায় অনুমোদনহীন ড্রোনের উড্ডয়ন বন্ধে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত (বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৮ যাত্রী (ব্যাংকক থেকে ঢাকাগামী উড়োজাহাজে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!