📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের সংকটে জমি-অবকাঠামো ছাড়াই নতুন কলেজের অনুমোদন

১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের সংকটে জমি-অবকাঠামো ছাড়াই নতুন কলেজের অনুমোদন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশের ১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মধ্যে জমি, ভবন ও অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে। নিজস্ব হাসপাতাল ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। বর্তমান সরকারও নতুন কলেজের অনুমোদন দিচ্ছে

দেশের ১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মধ্যে জমি, ভবন ও অবকাঠামোর ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও নতুন কলেজের অনুমোদন চলছে। এই কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় হাসপাতাল, ল্যাবরেটরি ও শিক্ষকদের ঘাটতি রয়েছে। হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের মতো অনেক কলেজের নিজস্ব জমি বা ভবনও নেই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ৫টি কলেজের নিজস্ব জমি ও ভবন নেই** — শিক্ষা কার্যক্রম চলছে হাসপাতালের ভেতরে বা ভাড়া ভবনে।
  • 📌 **মাগুরা মেডিকেল কলেজে শিক্ষকদের ৬২ শতাংশ পদ খালি** — শিক্ষকস্বল্পতা ও অবকাঠামোর ঘাটতি রয়েছে।
  • 📌 **পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের ৬৭ জন শিক্ষার্থী অব্যবহৃত ভবনে থাকছে** — আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের সংকট।
  • 📌 **হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা সদর হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল** — রেজিস্ট্রারের অভাবের কারণে প্রশিক্ষণ তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না।
  • 📌 **১১০টি মেডিকেল কলেজের মধ্যে ৩৭টি সরকারি** — সবগুলোই জমি, অবকাঠামো ও শিক্ষকস্বল্পতার সম্মুখীন।
  • 📌 **নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ৮ বছর পরও নিজস্ব ভবন বা হাসপাতাল নেই** — প্রতিষ্ঠার সময় জমি বা অবস্থান ঠিক করা হয়নি।
  • 📌 **বেসরকারি কলেজের তুলনায় সরকারি কলেজে আইনি বাধ্যবাধকতা কম** — প্রভাবশালী ব্যক্তির ইচ্ছায় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমর্থনে কলেজ গড়ে উঠছে।

📰 বিস্তারিত

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের ভেতরে অবস্থিত হবিগঞ্জ মেডিকেল কলেজের অবস্থা সর্বাধিক সংকটাপন্ন। এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে, কিন্তু ১০ বছর পরও নিজস্ব জমির বন্দোবস্ত হয়নি। কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম চলছে আটতলা হাসপাতালের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও অষ্টম তলায়। শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণের জন্য মাত্র তিন হাজার বর্গফুট জায়গা এবং পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষক, ব্যবহারিক শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাবরেটরির ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের আবাসনব্যবস্থাও নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। একজন শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রত্যেক মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল থাকা উচিত। আমাদের কলেজের তা নেই। আমাদের নির্ভর করতে হয় সদর হাসপাতালের ওপর। কিন্তু এই হাসপাতালে রেজিস্ট্রার না থাকায় আমাদের কাজের তদারক করার কেউ নেই।’

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই কলেজগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ব্যক্তির ইচ্ছায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে প্রতিটি জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার ক্ষমতাচ্যুতির পরও কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন বন্ধ হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারও নতুন কলেজের অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমান সরকারও পুরোনো পথে হাঁটছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাজ্জাদুল হাসানের ইচ্ছায় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমর্থনে অনুমোদন পেয়েছিল। কিন্তু কলেজের জন্য কোনো জমি নেই। হাসপাতালের অবস্থান বা জমি কীভাবে পাওয়া যাবে — এসব ঠিক না করেই প্রশাসনিক অনুমোদন পেয়েছিল কলেজটি। প্রতিষ্ঠার আট বছর পরও নিজস্ব ভবন বা হাসপাতাল নেই।

বেসরকারি কলেজের তুলনায় সরকারি কলেজে আইনি বাধ্যবাধকতা কম। বেসরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য নিজস্ব জমি, ভবন ও হাসপাতাল থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু সরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠায় কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে প্রভাবশালী ব্যক্তির ইচ্ছায় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমর্থনে একের পর এক কলেজ গড়ে উঠছে। প্রয়োজনীয় মূল্যায়ন ছাড়াই কলেজের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

"প্রত্যেক মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল থাকা উচিত। আমাদের কলেজের তা নেই। আমাদের নির্ভর করতে হয় সদর হাসপাতালের ওপর। কিন্তু এই হাসপাতালে রেজিস্ট্রার না থাকায় আমাদের কাজের তদারক করার কেউ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হবিগঞ্জ, পাবনা, গোপালগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, পটুয়াখালী, নেত্রকোনা, নওগাঁ, মাগুরা, চাঁদপুর, সুনামগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, সাজ্জাদুল হাসান, শিক্ষার্থীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬টি সরকারি মেডিকেল কলেজ, ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ, ১১০টি মেডিকেল কলেজ, ৬২ শতাংশ শিক্ষক পদ খালি, ৬৭ জন শিক্ষার্থী, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖