📌 ১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ১৯ ধরনের নাগরিক সেবা মাইগভ ওয়েব পোর্টালে চালু করা হয়েছে। এতে ১৮৫টি অনলাইন আবেদন ফরম যুক্ত করা হয়েছে এবং সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসে সেবা নিতে পারবেন
১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ১৯ ধরনের নাগরিক সেবা মাইগভ ওয়েব পোর্টালে অনলাইনে চালু করে সরকার। এতে সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিকত্ব সনদ, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগসহ বিভিন্ন সেবা পেতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাইগভে যুক্ত ১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ১৯ ধরনের নাগরিক সেবা
- 📌 ১৮৫টি অনলাইন আবেদন ফরম উন্মুক্ত করা হয়েছে
- 📌 সেবাগ্রহীতারা অনলাইনে আবেদন, ফি পরিশোধ ও কিউআর কোডযুক্ত সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন
- 📌 সেবা প্রক্রিয়াকরণে কাগজনির্ভরতা কমিয়ে স্বচ্ছতা বাড়ানো হবে
- 📌 ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে ১৪০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের উদ্যোগে মাইগভে ১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের ১৯ ধরনের নাগরিক সেবা যুক্ত করা হয়েছে। এতে ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিকত্ব সনদ, পরিচয়পত্র, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ, যানবাহনের পাস, রিকশা-ভ্যান লাইসেন্স, পোষা প্রাণী পালনের অনুমতি এবং ডেভেলপার তালিকাভুক্তি সহ বিভিন্ন সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আজ সোমবার মাইগভের ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এসপায়ার টু ইনোভেটের (এটুআই) প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শামীম আহম্মেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ই-গভর্নেন্স অধিশাখার যুগ্মসচিব ও এটুআইয়ের যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মো. কামরুল হাসান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও শিক্ষা) শেখ জাহিদুল ইসলাম, রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল করিম এবং সাভার ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা শেহেলী লায়লা। ১৩টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তারা এবং অধিদপ্তর ও এটুআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রচলিত ব্যবস্থায় সেবা পেতে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কার্যালয়ে যেতে হতো এবং একাধিকবার যাতায়াতের প্রয়োজন হতো। এতে বাড়তি সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি ভোগান্তির মুখে পড়তেন সেবাগ্রহীতারা। নতুন ব্যবস্থায় সেবাগ্রহীতারা ঘরে বসে আবেদন, ফি পরিশোধ এবং কিউআর কোডযুক্ত সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন। আবেদনের অগ্রগতি জানা ও সেবা সম্পর্কে মতামত দেওয়ার সুযোগও থাকছে।
"এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো দাপ্তরিক কাজে কাগজনির্ভরতা কমানো এবং সেবা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, রাজশাহী (সাভার ও রাজশাহী ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড সহ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামীম আহম্মেদ (মহাপরিচালক), মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন (প্রকল্প পরিচালক), মো. কামরুল হাসান (যুগ্মসচিব), শেখ জাহিদুল ইসলাম (পরিচালক), মো. আবদুল করিম, শেহেলী লায়লা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫টি ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, ১৯ ধরনের সেবা, ১৮৫টি আবেদন ফরম, ১৩টি বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৪০ জন প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!