📌 ১৮ সেপ্টেম্বর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে অবশিষ্ট খাবার বিতরণ করে শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফোটালো মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার বন্ধুরা। এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে তারা অসহায়দের জীবনকে আরো সুন্দর করে তুলেছেন
১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সিলেটের আকাশে হালকা রোদে ভরা এক দিনে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা আনন্দে ভরে ছিল, তাদের হাতে পড়েছিল ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট এবং স্মৃতিচিহ্ন। কিন্তু এই উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ল আরও অনেকের মধ্যে। অনুষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন করা কিছু শিক্ষার্থী উপস্থিত না হওয়ায় তাদের জন্য প্রস্তুত খাবার অবশিষ্ট থাকল। সেগুলো সিলেটের পথে পথে থাকা ছোট্ট শিশুদের হাতে তুলে দিলেন মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার বন্ধুরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ সেপ্টেম্বর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে অবশিষ্ট খাবার বিতরণের মাধ্যমে শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফোটালো বন্ধুসভার বন্ধুরা
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হওয়ায় অবশিষ্ট থাকা খাবার সিলেটের পথে পথে থাকা ছোট্ট শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল
- 📌 এই মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে বন্ধুরা অসহায় মানুষের জীবনকে আরো সুন্দর করে তুলেছেন
- 📌 বন্ধুরা বলেছেন, একটি আয়োজনের অবশিষ্ট খাবারও কারও জন্য হতে পারে একবেলার আনন্দ ও তৃপ্তির কারণ
📰 বিস্তারিত
১৮ সেপ্টেম্বর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের আনন্দের মুহূর্ত ছিল বিশেষ। কিন্তু এই আনন্দের ছায়ায় ছিল একটি মানবিক উদ্যোগ। অনুষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন করা কিছু শিক্ষার্থী উপস্থিত না হওয়ায় তাদের জন্য প্রস্তুত খাবার অবশিষ্ট থাকল। এই অবশিষ্ট খাবারকে অপচয়ের শিকার হতে দেবেন না, এমন চিন্তা করে মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার বন্ধুরা সেগুলো সিলেটের পথে পথে থাকা ছোট্ট শিশুদের হাতে তুলে দিলেন। মুহূর্তেই শিশুদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি।
এই উদ্যোগ শুধু খাবার বিতরণ নয়, বরং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে। বন্ধুরা বলেন, একটি আয়োজনের অবশিষ্ট খাবারও কারও জন্য হতে পারে একবেলার আনন্দ ও তৃপ্তির কারণ। তাই খাবারের অপচয় রোধ করে তা অসহায় মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।
মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা দেখিয়েছেন যে, এমনকি একটি ছোট্ট কাজও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
"একটি আয়োজনের অবশিষ্ট খাবারও কারও জন্য হতে পারে একবেলার আনন্দ ও তৃপ্তির কারণ। তাই খাবারের অপচয় রোধ করে তা অসহায় মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভার বন্ধুরা, জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থীরা, শিশুদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ (সেপ্টেম্বর), ৫ (জিপিএ-৫)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!