📌 সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের স্বেচ্ছাসেবী মামুন বিশ্বাস মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ জন দরিদ্র মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার অনন্য উদাহরণ প্রদর্শন করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সহযোগিতা সংগ্রহ করে তিনি অসহায় মেয়েদের নতুন জীবন শুরু করতে সাহায্য করছেন
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী মামুন বিশ্বাস মাত্র ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ জন অসহায় মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। নিজস্ব উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকার দরিদ্র ও অভিভাবকহীন মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে তিনি ১৫৬ মেয়ের ‘বাবা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাত্র ৩৮ বছর বয়সে সিরাজগঞ্জের মামুন বিশ্বাস ১৫৬ জন মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিকতার উদাহরণ প্রদর্শন করছেন।
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সহযোগিতা সংগ্রহ করে তিনি দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন।
- 📌 গত ২৫ সেপ্টেম্বর কামারখন্দের আতিয়া খাতুনের বিয়েতে প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়, আর ১ অক্টোবর সুচিত্রা রানির বিয়েতে ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা খরচ হয়।
- 📌 মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে বিয়ে হওয়া মেয়েরা এখন নতুন জীবন শুরু করছেন এবং তিনি তাদেরকে নিজের মেয়ের মতোই মনে করেন।
📰 বিস্তারিত
মামুন বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন। অর্থের অভাবে বিয়ে দিতে পারা না এমন পরিবারগুলোর জন্য তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সহযোগিতা সংগ্রহ করেন। প্রতিটি বিয়েতে সাধ্যমতো আয়োজন করে মেয়েদের নতুন জীবন শুরু করতে সহায়তা করছেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে মাত্র ছয় দিনের ব্যবধানে কামারখন্দ উপজেলার দুই অসহায় মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে তিনি আবারও আলোচিত হন। কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের তেঘরি গ্রামের আবু তালেব ও সামিদা দম্পতির মেয়ে আতিয়া খাতুনের বিয়েতে প্রায় ৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়। গত ২৫ সেপ্টেম্বর সেই অর্থে আতিয়ার বিয়ের আয়োজন করা হয়। এর মাত্র ছয় দিন পর, ১ অক্টোবর, কামারখন্দের জামতৈল গ্রামের সুচিত্রা রানি দাসের বিয়েতে প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। সুচিত্রা আর্থিক সংকটের কারণে একাধিকবার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরও মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে জমকালো বিয়ের আয়োজন করা হয়।
এভাবে একের পর এক অসহায় মেয়ের পাশে দাঁড়াতে দাঁড়াতে মামুন বিশ্বাস এখন ১৫৬ জন মেয়ের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে এই উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রশংসা পেয়েছে। বিয়ের পরও তিনি মেয়েদেরকে নিজের মেয়ের মতোই মনে করেন এবং তাদের নতুন জীবন শুরু করতে সাহায্য করছেন।
"মেয়েদেরকে নতুন জীবন শুরু করতে সাহায্য করার জন্য আমি নিজের সকল প্রচেষ্টা করছি। তাদেরকে নিজের মেয়ের মতোই মনে করি এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা, কামারখন্দ উপজেলা, ঝাঐল ইউনিয়ন, তেঘরি গ্রাম, জামতৈল গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুন বিশ্বাস, আতিয়া খাতুন, সুচিত্রা রানি দাস, আবু তালেব, সামিদা দম্পতি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৬ জন মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব, ৩৮ বছর বয়স, ৩ লাখ টাকা, ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!