📅 ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে সিরাজগঞ্জের মামুন বিশ্বাস স্থাপন করেছেন মানবিক দৃষ্টান্ত

৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে সিরাজগঞ্জের মামুন বিশ্বাস স্থাপন করেছেন মানবিক দৃষ্টান্ত

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাস ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিক কাজে অগ্রসর। ফেসবুক ও ব্যক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন তিনি

সিরাজগঞ্জের সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাস ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ অসহায় মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে ব্যতিক্রমী মানবিক কাজে অগ্রসর হন। ফেসবুক ও ব্যক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে যমুনার দুর্গম চরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অভিভাবকহীন ও দরিদ্র মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন তিনি। স্থানীয়ভাবে ‘মেয়েদের বাবা’ হিসেবে পরিচিত মামুন বিশ্বাসের এই উদ্যোগ দেশবাসীকে অনুপ্রাণিত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৮ বছর বয়সে ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে মানবিক কাজে অগ্রসর সিরাজগঞ্জের মামুন বিশ্বাস
  • 📌 ফেসবুক ও ব্যক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে ৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করে আতিয়া খাতুনের বিয়ের আয়োজন
  • 📌 কামারখন্দের সুচিত্রা রানি দাসের বিয়েতে ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা ব্যয়
  • 📌 যমুনার চরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মেয়েদের বিয়ে দিচ্ছেন মামুন বিশ্বাস
  • 📌 নিজের মেয়ের মতো মনে করে বিয়ে হওয়া মেয়েদের নতুন সংসার শুরু করছেন

📰 বিস্তারিত

শাহজাদপুর উপজেলার আগনুকালি গ্রামের বাসিন্দা মামুন বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্যক্তিগত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। অর্থের অভাবে যেসব পরিবার মেয়ের বিয়ে দিতে পারছিল না, তাদের জন্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ ও সহযোগিতা সংগ্রহ করে বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। সম্প্রতি সাত দিনের ব্যবধানে কামারখন্দ উপজেলার দুই মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

ঝাঐল ইউনিয়নের তেঘরি গ্রামের আবু তালেব ও সামিদা দম্পতির মেয়ে আতিয়া খাতুনের বিয়ের জন্য ফেসবুকের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ টাকা সহযোগিতা সংগ্রহ করেন মামুন বিশ্বাস। গত ২৫ সেপ্টেম্বর ওই অর্থে আতিয়ার বিয়ের আয়োজন করা হয়। এর ছয় দিন পর ১ অক্টোবর কামারখন্দের জামতৈল গ্রামের সুচিত্রা রানি দাসের বিয়ের দায়িত্ব নেন তিনি। আর্থিক সংকটের কারণে একাধিকবার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর তার বিয়ের আয়োজন করা হয় মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে।

মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে যমুনার দুর্গম চর চৌহালী, বেলকুচি ও এনায়েতপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মেয়েদের বিয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার উদ্যোগে বিয়ে হওয়া মেয়েরা নতুন সংসার শুরু করছেন। মামুন বিশ্বাস বলেন, ১৫৬টি বিয়েসহ সব মানবিক ও ভালো কাজের কৃতিত্ব ফেসবুক বন্ধুদের। তিনি শুধু প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

"ইচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে অসহায় ও অভিভাবকহীন সন্তানদেরও জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ের আয়োজন করা যায়"

জাতীয় তাঁতী সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুস ছামাদ খান মামুন বিশ্বাসের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মামুন বিশ্বাস বিয়ের পাশাপাশি অসহায়দের ঘর নির্মাণ, খাবার বিতরণ, গবাদিপশু ও দোকান দিয়ে স্বাবলম্বী করার কাজও করছেন। নিজ গ্রামে গড়ে তুলেছেন পাখির অভয়াশ্রম।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহজাদপুর উপজেলা, আগনুকালি গ্রাম, সিরাজগঞ্জ; কামারখন্দ উপজেলা, ঝাঐল ইউনিয়ন, জামতৈল গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মামুন বিশ্বাস, আবু তালেব, সামিদা, আতিয়া খাতুন, সুচিত্রা রানি দাস, আব্দুস ছামাদ খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ বছর বয়স, ১৫৬ মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব, ৩ লাখ টাকা, ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖